হোম » প্রধান সংবাদ » লোহাগাড়ায় এক ইউনিয়নে বৈধ-অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠেছে ২১টি ইটভাটা

লোহাগাড়ায় এক ইউনিয়নে বৈধ-অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠেছে ২১টি ইটভাটা

আবদুল করিম: উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে কৃষি জমিতে, লোকালয়ে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে, রাস্তার পাশে ও পাহাড়-বনাঞ্চলের পাশে গড়ে উঠেছে এসব ইটভাটা। ইটভাটাগুলো জনবসতি এলাকা ও কৃষি জমির উপরে বছরের পর বছর ধরে অবাধে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমন কি ভাটার পার্শ্ববর্তী কৃষি ও বনভূমিতেও ব্যাপ্তি ছড়িয়ে আছে ইটভাটাগুলো। অন্যদিকে ইটভাটায় ইট পোড়াতে কাঠের ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও জ্বালানি হিসেবে অবাধে কাঠ ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ১৯৮৯ ও ২০০১ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন ১৭ নং অনুচ্ছেদের ৪ ও ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, আবাদি কৃষি জমিতে কোনো ইটভাটা তৈরি করা যাবে না।
কিন্তু প্রভাবশালী মহল আইন অমান্য করে প্রতি বছর চরম্বা ইউনিয়নে কৃষি জমিতে নতুন ইটভাটা গড়ে তোলছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরম্বা মাইজবিলা ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম উচ্চ বিদ্যালয় ঘেষে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। ইটভাটার কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা করার কোনো নিয়ম নেই। কৃষি জমির টপসয়েল নিয়ে গেলে প্রথম দুই বছর প্রায় ৭০ ভাগ ফসল কমে যায়।
কৃষি জমির টপসয়েল চলে গেলে আগামী ৮/১০ বছরে জমির স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসা কঠিন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চরম্বা ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার শফিকুর রহমান কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের ফেরদৌস আনোয়ার  বলেন, ইটভাটা মালিকদের সাথে বৈঠক বসা হয়েছে। তাদের কাছে নোটিশও পাঠানো হয়েছে । ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে অধিদপ্তর থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে ।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!