হোম » সারাদেশ » নওগাঁয়, ভারতে রাসূলের প্রতি কুটুউক্তির প্রতিবাদে  বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে

নওগাঁয়, ভারতে রাসূলের প্রতি কুটুউক্তির প্রতিবাদে  বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে

মানহানি কারি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, তার একমাত্র  শরঈ শাস্তি মৃত্ত্যুদন্ড।  রাসূলের অপমানে যদি কাঁদে না তার মন,মুসলিম নয় মোনাফেক তুই রাসূলের দুশমন।এই পতিপাদ্য কে সামনে নিয়ে কেন্দ্রিয় অংশ  হিসেবে গত সোমবার মুক্তির মোড়,  ছাত্র-জনতা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানের আয়োজনে,সংক্ষিপ্ত আলোচনা করে শহরের মেইন রোড  দিয়ে ব্রীজের মোড় হয়ে কেডির  মোড় দিয়ে মুক্তির মোড়ে এসে মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ করে।

 সমাবেশে ইনসাফ কায়েমকারি ছাত্র-জনতার আহবায়ক বলেন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লা হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তিনি আমাদের প্রাণের থেকেও প্রিয়। উনার পবিত্র শানে বিন্দু থেকে বিন্দু তম বেয়াদবি আমরা মেনে নিব না। পৃথিবীর যে প্রান্তেই সে  কুটুউক্তিকারি থাকুক, তার একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সারা বিশ্বের মুসলমানদের পক্ষে আমরা চাই অবিলম্বে সেই কুলাঙ্গার কে গ্রেফতার করে তার শরঈ শাস্তি জারি করা হোক।

ইনসাফ কায়েম কারী ছাত্র-জনতার বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমান দায়িত্বরতদের  উচিত হবে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এনে এই জঘন্য কর্মের শক্ত প্রতিবাদ করা। ভারত সরকারকে চাপ দেওয়া, যেন কুলাঙ্গার রামগিরিকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে। ভারত  সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সাথে আমাদের দেশের সকল সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত। যে রাষ্ট্র নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লা হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওনার পবিত্র শানে মানহানি কারিকে প্রশ্রয় দেয় তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না।

তারা আরও বলেন, ভারত আমাদের রাসূলের উপর কুটুউক্তি করছে তার মানে ওরা আমাদের শত্রু, ভারতের মুসলমানদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, মসজিদ  ভাংছে, গরুর গোস্তোর জন্য মুসলিমদের শহীদ করছে, আর আমাদের দেশ তাদেরকে, ইলিশ পাঁঠাচ্ছে।  পূজার সময় চাল বরাদ্দ দিচ্ছে, তা দিয়ে তারা, পূজা মুন্দিরে পূজা না করে, মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে জনদূর্ভোগ  তৈরী করছে, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে এটার পরিএাণ চাই, আমরা ও ঈদে মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ চাই এটা আমাদের নায্য অধিকার।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আব্দুল আওয়াল আজকের বিক্ষোভ ও  প্রতিবাদের  বিষয়ে অবগত নয়, তার বরাবর  কোন স্মারক লিপি  দেওয়া হয়নি তবে হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব  দূর্গাপূজা যেখানে অনেক লোকের সমাগম সেই খেএে সাধারণদের চলাফেরায় একটু সমস্যা দেখা দিতে পারে তা সাময়িক, তবে এ ব্যাপারে সমগ্র জেলাতে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক সিকিউরিটি রয়েছে, এই পর্যন্ত কোন  ধরনের অপ্রিতিকর  ঘটনার খবর পাওয়া যায় নি।

-জাহিদুল হক মিন্টু-

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!