হোম » প্রধান সংবাদ » আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সংগ্রহের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সংগ্রহের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সংগ্রহের জেরে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি,দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক আমাদের আলফাডাঙ্গা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশ সাংবাদিক সেকেন্দার আলমকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে সোহেল খান লিটন (৪৫) নামে স্থানীয় এক ডিশ ব্যবসায়ী।এবিষয়ে সাংবাদিক সেকেন্দার আলম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ ডিসেম্বর উপজেলাধীন পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী সোহেল মিয়া (এরশাদ) স্কুলের ডিউটি ফাঁকি দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম কোনাগ্রামে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ায় দায়ে সৌদি প্রবাসী ওহিদুল ইসলামের বাড়িতে রাতের আধারে এলাকাবাসী আটক করে তালাবদ্ধ করে রাখে।খবর পেয়ে পরদিন সকালে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে ও পাকুড়িয়া স্কুলে এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসে সোহেলের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যায়।
বিষয়টি অবগত হয়ে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) পৌনে বারোটার দিকে পৌর এলাকায় নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত ছলেমান খানের পুত্র সোহেল খান লিটন সাংবাদিক সেকেন্দার আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে অবান্তর ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে ‘তুই সহ তোর গাড়ি পুঁড়িয়ে ব্রীজের নিচে ফেলে দিব।আরো বলেন তুই এখনই আলফাডাঙ্গা থানায় আয় তোকে দেখিয়ে দিবো।’ এসময় হুমকিদাতা সোহেল খান লিটনের হুমকি ওই সাংবাদিকের মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা হয়েছে।
পরবর্তীতে সাংবাদিক সেকেন্দার আলম ও তার দু’জন সহকর্মী আলফাডাঙ্গা থানা গেটের সামনে গেলে লিটন লোহার রড ও লাঠিসোঠাসহ তার সাথে আরো কয়েকজনকে নিয়ে মারার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক সেকেন্দার আলমের ওপর আক্রমন চালায়।পুলিশ ও অন্যান্য সাংবাদিকরা এসময় এগিয়ে আসলে লিটন তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়।যার দৃশ্যও আলফাডাঙ্গা থানার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে আছে।এবিষয়ে জানতে সোহেল খান লিটনের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, ‘সাংবাদিক সেকেন্দার আলম থানায় অভিযোগ দিয়েছে।আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।’
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!