হোম » প্রধান সংবাদ » আমতলীতে খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ

আমতলীতে খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ

বরগুনা প্রতিনিধি:বরগুনার আমতলী গাজীপুর বন্দরের বাঁধঘাট এলাকার সরকারী খাস খতিয়ানের জমি প্রভাবশালী কুদ্দুস আকন দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন সোমবার বিকেলে সরকারী জমি উদ্ধারে ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।জানাগেছে, ২০০৫ সালে উপজেলার গাজীপুর বন্দরের বাঁধঘাট এলাকার সরকারী খাস খতিয়ানের ৫ শতাংশ জমি দখল করেন প্রভাবশালী কুদ্দুস আকন। ওই জমির কোন বন্দোবস্ত নেয়নি তিনি। গত ১৪ বছর ধরে জোড়পূর্বক ওই জমি দখল করে বসবাস করে আসছেন তিনি। বন্দোবস্ত ছাড়াই ওই জমিতে কুদ্দুস ঘর নির্মাণ করছেন বলে জানান আমতলী ভুমি অফিসের তহসিলদার জাফর মিয়া। সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে গত ১৫ দিন পূর্বে ওই জমিতে তিনি পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এছাড়াও গত বছর ওই জমিতে ছাদ ঢালাই দিয়ে পাকা টয়লেট ও রান্না ঘর নির্মাণ করেছেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন সোমবার বিকেলে সরকারী জমি উদ্ধারে ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রভাবশালী কুদ্দুস আকন ২০০৫ সালে ৬০ ফুট দৈঘ্য এবং ২২ ফুট প্রস্থ সরকারী খাস খতিয়ানের জমি দখল করে। বর্তমানে কুদ্দুস স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে নিয়ে ওই জমিতে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন।
মিস্ত্রি এনামুল মিয়া ও শ্রমিক রুবেল বলেন, মালিকের নির্দেশে কাজ করছি। এ জমি সরকারী কিনা সেটা আমরা জানিনা।

কুদ্দুস আকন মুঠোফোনে বলেন, আমি বিদেশে থাকি। পরিবার নিয়ে ঘুপরি ঘরে থাকতে সমস্যা হচ্ছে। তাই এই জমিতে আধা-পাকা ঘর নির্মাণ করছি। তিনি আরো বলেন, এই জমি সরকারী খাস খতিয়ানের। আমি সরকারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নিয়েছি। কিন্তু তিনি জমি বন্দোবস্তের কোন আদেশ দেখাতে পারেনি।তহসিলদার মোঃ জাফর মিয়া বলেন, ওই জমি সরকারী খাস খতিয়ানের। ওই জমি কাউকে বন্দোবস্ত দেয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন ইউএনও’র নির্দেশে ওই জমিতে পাকা ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কমলেশ মজুমদার বলেন, ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সরকারী জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!