হোম » সারাদেশ » হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে বাদির ভাইকে হত্যার চেষ্টা

হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে বাদির ভাইকে হত্যার চেষ্টা

বগুড়ার ধুনটে হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে বাদির ভাই শফিকুল ইসলামকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত বরিবার (৮ সেপ্টেম্বার) রাত অনুমান সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের ফড়িংহাটা গ্রামের ফাঁকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত শফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার বাগবাটি ইউনিয়নের ইছামতি এলাকার মৃত ফরহাদ আলী খানের ছেলে ও পুর্বের হত্যা মামলার বাদি হাবিবুর রহমান খানের ছোট ভাই।
আহত শফিকুল ইসলাম জানান, জমিজমা সংক্রান্ত জের ধরে গত ২০২৩ সালে ১৯ অক্টোবর রাত অনুমান ১০টার দিকে আমি, আমার বড় ভাই হাবিবুর রহমান, আমার ছোট ভাই আল আমিন, প্রতিবেশী ভাতিজা আল আমিন শেখ সিরাজগঞ্জ সদর থানার ইছামতি গ্রামের জনৈক মান্নান সেখের মনোহারি দোকানে টিভি দেখে বাসায় ফিরছিলাম। পথিমধ্যে ভদ্রবাড়ীর পশ্চিমে পাকা সড়কের উপর বিবাদীরা হামলা করে। তাদের দেশীয় (রাম দা) অস্ত্রের আঘাতে আমার ভাই আল আমিন ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরন করে। আমার ভাতিজাকে মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য প্রথমে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন ২০ অক্টোবর ২০২৩ ইং সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আমার ভাই হাবিবুর রহমান মেরাজুল ইসলাম শেখ, আবু তালেব, দুলাল খান, লোকমান খান, সুমন খানসহ ৩২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা চলাকালিন সময়ে আসামী আবু তালেব, দুলাল খান, লোকমান খান জামিনে মুক্ত হয়।
ঘটনার দিন আমি ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ইনিয়নের ফড়িংহাটা গ্রামে ভায়রা নুরুল ইসলামের বাড়িতে যাওয়ার পথে ওই গ্রামের পাকা সড়কের উপর পালাতক আসামী সুমন খানের সাথে যোগসাজসে জামিনে মুক্ত হওয়া আসামিগনসহ আরো কয়েকজন আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে দেশীয় অস্ত্র দারা আঘাত করে। আমার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রবিবার রাতেই ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হলে সোমবার বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে স্থানান্তর করে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
-এম এ রাশেদ-
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!