
কুড়িগ্রামের রৌমারী নওদাপাড়া সীমান্তে ভারতীয় জিরা মসলা আটককে কেন্দ্র করে বিজিরি’র ওপর চোরাকারবারির অতর্কিত হামলায় ৩ জন আহত হয়েছেন। এসময় বিজিবি আত্মরক্ষার জন্য একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে চোরাকারবারিরা তাদেরকে অবরাদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলি গিয়ে তাদরকে উদ্ধার করে রৌমারী স্বাস্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আজ (২৭ আগস্ট) মঙ্গলবার ভোর রাতে রৌমারী সদর ইউনিয়নের নওদাপাড়া সীমান্তে ঘটনাটি ঘটে।
বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, মঙ্গলবার ভোররাতে লেবু মিয়া, আলম মিয়া, জাইদুল ইসলাম, আনছার আলী ও ছাইদুর রহমান সহ ৪০/৫০ জনের একদল চোরাকারবারি ভারত থেকে আÍর্জাতিক সীমানা ১০৬৩ নং মেইন পিলারের দক্ষিণ পাশ দিয়ে আড়কির মাধ্যমে কাটাতারের বেড়ার উপর দিয়ে ভারতীয় (মসলা) জিরা, মাদকসহ বিভিন প্রকার ভারতীয় পন্য পাচার করছিল। এসময় রৌমারী সদর ক্যাম্পের বিজিবির টহলদল তাদের ধাওয়াা দিলে চোরাকারবারিরা তাদের মালামাল সীমান্তে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে ওই চোরাকারবারির দল লাঠিসোঠা নিয়ে সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশিয়ও অস্ত্র নিয়ে ডাক-চিৎকারের মাধ্যমে বিজিবি’র ওপর অর্তকিত ভাবে হামলা চালায়। এসময় বিজিবি’র দল আত্মরক্ষার জন্য ময়জাল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নিলে চারাকারবারিরা তাদেরকে অবরাদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্ল গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে রৌমারী স্বাস্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতরা হলেন রৌমারী সদর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্য আবু রায়হান (৩১), বিজিবি’র সার্স মজিবুর রহমান (৭০) ও আশ্রয়দাতা বাড়ির মালিক ময়জাল হাসন (৫৫)।
অপরদিকে চারাকারবারিরা বলেছেন ভিন্ন কথা। ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে বাংলাবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা আমাদের কাছে পূর্বের ন্যায় আসামী বিহিন মামলা দেওয়ার কথা বলে ২০ প্যাকেট জিরা নিয়ে যায় এবং ভারত থেকে মালামাল আনা নেওয়ার মৌখিক অনুমতি দেন। কিন্তু বিজিবি আমাদের সাথে বেইমানী করে রাতের বেলায় সীমান্তে এসে আমাদেরকে আটক করার চেষ্টা করে।
পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে জামালপুর ৩৫ ব্যাটালিয়নর ল: কর্ণল হাসনুর রহমান এর নেতত্বে ১৫ সদস্যর একটি দল ঘটনাস্ল পরিদর্শন করেন এবং গ্রামবাসিকে সতর্ক করে বলেন(,মসলা) জিরা আটক করা কোদ্রোকরে যারা আমার বিজি’ির ওপর হামলা করেছে চড়াও হয়েছে প্রকৃত চোরাকার বারিদের তালিকা করে আমাকে দেন। অন্যথায় গ্রামবাসির সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্া নেওয়া হবে।
এব্যাপার রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ গেলাম মর্তুজা বলেন, এঘটনায় বিজিরি’র পক্ষ থেকে এখনো অভিযাগ পাওয়া যায়নি। অভিযেগ পাওয়া গেলে তদÍ করে ব্যবস্া গ্রহন করা হবে।
-কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি-

আরও পড়ুন
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ