প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১০:২১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ আগস্ট ২২, ২০২৪, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার রাজস্বখাতে নিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচী পালন

ফারুক হোসেন রুহিয়া ঠাকুরগাঁওঃ 'দাবি মোদের একটাই ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার জাতীয়করণ চাই, ২০০৭ সালে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার প্রাথমিক ভাবে সিরাজগঞ্জ। চালু হয়।
পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ২০১০সালে ১১ই নভেম্বর তাঁর নিজ কার্যালয় থেকে তৎকালীন নিউজিল্যান্ড এর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচীর প্রশাসক মিস হেলেন ক্লা্র্ক ভোলা জেলার চর ফ্যাশন কুকরিমুকরি ইউনিয়ন থেকে সারা দেশে একযোগে ৪৫৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদে উদ্বোধন করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার।
বর্তমানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে বয়স্ক ভাতা প্রতিবন্ধী ভাতা মাতৃত্বকালীন ভাতা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন টিআর কাবিখা এডিপি ভিজিএফ ভিজিডি বিতরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টার গুলো চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে জোবরদোস্তী মূলক বিনা বেতনে ১৪ বছর যাবৎ পরিচালনা করে আসছে।
এদিকে ঠাকুরগাঁয়ের রুহিয়া ইউনিয়নের উদ্যোক্তা ফারুক। হোসেন দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ পত্রিকায় বলেন আমি রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ২০১২ সালে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমার সরকারি চাকুরী বয়স ছিল এখন নাই। বিয়ে হয়েছে স্ত্রী জানে আমি সরকারি চাকুরী করি। আমার ছেলে মেয়ে ঠিকমতো দুবেলা খাবার দিতে পারিনা। অথচ একই অফিসে তারাও থাকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার জনপ্রতিনিধি গন ইউনিয়ন সচিব ইউনিয়ন হিসাব সহকারী গনের সাথে একই ছাদের নিচে কাজ করি। তারা বেতন পায় আর আমরা উদ্যোক্তারা বিনা বেতনে ১৪ বছর মানুষ সেবা দিয়ে আসছি। এই বৈষম্য দূর করা জন্য আজ বাধ্য হয়ে সরকারের কাছে আশা নিয়ে আসছি সরকার যেন বিনা বেতনে ১৪বছর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গুলো কে রাজস্ব খাতে নিয়ে জাতীয়করণের মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.