হোম » প্রধান সংবাদ » ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে ৪১তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
আজ (২২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।সকাল ৯টা ৩০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী  এবং বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করেন জাতীয় দিবসসমূহ উদ্যাপন স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ এসময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন।
প্রভোস্টগণ স্ব-স্ব হলে জাতীয় পতাকা ও হল পতাকা উত্তোলন করেন।পতাকা উত্তোলন শেষে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ-এর উপস্থিতিতে শান্তি ও আনন্দের প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে প্রশাসন ভবন চত্বর হতে শুরু হওয়া আনন্দ শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী।
 বিভিন্ন বিভাগ, অফিস, হল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে স্ব-স্ব ব্যানার, প্লাকার্ড ও ফেস্টুনসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থী বর্ণাঢ্য সাজে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সম্মুখ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১তম জন্মদিনের কেক কাটেন।
এরপর শুরু সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভায় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়। যে মহামানবের জন্ম না হলে বাঙালি জাতি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেতো না সে মহামানবের অনিন্দ্যসুন্দর ম্যুরাল আমরা ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে স্থাপন করেছি যাতে এই বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই মহামানবের মহান আদর্শ সঞ্চারিত হয়। বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণের পর ৯টি অত্যাধুনিক বিভাগ খোলা হয়েছে। এই বিশ^বিদ্যালয়ের ৪০ বছরের ইতিহাসে অবকাঠামোগত উন্নয়নে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এখানে ৫ শত ৩৭ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এজন্য আমরা ২০ হাজার মানুষের এই বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে কৃতজ্ঞতা জানাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, জ্ঞান বিতরণ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নবজন্ম লাভ করেছে। আমরা এখানে ৩৪টি বিভাগের প্রতিটি বিভাগকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
 বিশেষ অতিথি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রশাসনের সময় আমূল পরিবর্তন ঘটেছে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে। আন্তর্জাতিকীকরণের পথে যাত্রার জন্য যে মানে উন্নীত হওয়ার দরকার ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়কে সে মানে উন্নীত করার জন্য বর্তমান প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। সে লক্ষ্যে সেশনজটমুক্ত, জঙ্গীবাদমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত একটি বিশ^বিদ্যালয় উপহার দেবার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
 অপর বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে দায়িত্ব আমাদের দিয়েছেন সে দায়িত্ব অক্ষরে-অক্ষরে পালনের জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই বিশ^বিদ্যালয়টিকে অহঙ্কার ও গর্ব করার মতো আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ^বিদ্যালয়ে পরিণত করার জন্য আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!