
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের কাজীর মোড় এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের মুক্তির দিকে এগোতে থাকে। মিছিলটি মুক্তির মোড় হয়ে সরিষাহাটির মোড়ে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছালে অবস্থানরত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে।


নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) আবু আনসারী বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে দুপুর ৩টা পর্যন্ত ১৫ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের সবার মাথায় ইটের আঘাত লেগে আহত হয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বর্তমানে হাসপাতালে ২জন ভর্তি আছেন। আশিক (১৯) নামে নিয়ামতপুর উপজেলার একজন শিক্ষার্থীর মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক বলেন, মিছিলের শুরু থেকেই পুলিশ সহনশীল আচরণ করেছে। শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। কিন্তু মিছিলটি আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে পৌঁছালে মিছিল থেকে কিছু দুষ্কৃতকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়ে। এরপরই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইটের আঘাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমানের হাত ভেঙে গিয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছোঁড়া হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্ত।