প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৯:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৩, ২০২৪, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারের টেকনাফে আবারও আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্য

রাখাইনে চলমান সংঘাতের জেরে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি দুই শতাধিক সদস্য পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ও শুক্রবার (১২জুলাই) সকালে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাংয়ের তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাদেরকে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা হেফাজতে নেন।
গত দুদিনে মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনা সদস্যরা ধাপে ধাপে টেকনাফে পালিয়ে আসে। এর মধ্যে গত বুধবার সকালে ২০ জন বৃহস্পতিবার ১১৯ জন মিয়ানমার সেনা ও বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি সদস্য আশ্রয় নিয়েছে। তবে আজ ভোরে আসা বিজিপি সদস্যদের সংখ্যা আনুমানিক অর্ধশতাধিক হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, নতুন করে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য এপারে আশ্রয় নিয়েছে বলে শুনেছি। তারা বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্তক অবস্থানে আছে।
এদিকে গত বুধবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টারশেল ও ভারী গোলার বিকট শোনা গেছে টেকনাফ সীমান্তে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শব্দ কমেছে।
নতুন করে কোনও অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে সার্বক্ষণিক বিজিবির সদস্যরা টহল দিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত।
সীমান্তের বাসিন্দারা বলছেন, রাখাইনদের যুদ্ধের কারণে তারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে । চলমান যুদ্ধের কারণে বাসিন্দাদের আতঙ্কে দিন কাটছে। আজ রাতেও বিমান হামলা ও বিস্ফোরণের বিকট শব্দে তাদের বাড়িঘর কেঁপে ওঠে।
-মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী-
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.