প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৮:২৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৯, ২০২৪, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্রেনেড, ওয়াকিটকি, অস্ত্র ও গুলি সহ আরসার ৪ সন্ত্রাসী আটক

মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী, কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) ৪ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু হ্যান্ডগ্রেনেড, ওয়াকিটকি, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
রোববার (১৯ মে) রোববার ভোর রাত ৩ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত উখিয়া উপজেলার ২০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এস-১/বি-৭ ব্লকের কাঁটাতারের সীমানার বাইরে গঁইয়াম বাগানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।
গ্রেফতাররা হলেন: উখিয়া উপজেলার ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৮১ ব্লকের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে আমির হোসেন (২৯), একই ক্যাম্পের এইচ-১০০ ব্লকের ফজল করিমের ছেলে জিয়াউর রহমান (৩২), উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-৪ ব্লকের আব্দুস সালামের ছেলে সৈয়দুল আমিন (৩০) এবং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-১ ব্লকের বাদশা মিয়ার ছেলে মো. হারুন (২২)।
গ্রেফতাররা মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা’র সদস্য ও একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বলে জানান এপিবিএন এর সহ-অধিনায়ক আরেফিন জুয়েল।
তিনি বলেন, রোববার ভোর রাতে উখিয়া উপজেলার ২০ এক্সটেনশন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কতিপয় অস্ত্রধারী লোকজন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে খবরে এপিবিএন পুলিশের একাধিক দল সাঁড়াশি অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতিকারীরা এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এপিবিএন সদস্যরা ৪ দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম।
পরে গ্রেফতারদের দেয়া তথ্য মতে, আরসা সন্ত্রাসীদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ৪ টি হ্যান্ডগ্রেনেড, দেশীয় তৈরি ৭টি বন্দুক, চার্জারসহ ২ টি ওয়াকিটকি, ৯ টি গুলি, হ্যান্ডগ্রেনেডে ব্যবহৃত ২ প্যাকেট লোহার বল, ২ টি কিরিচ দা ও কয়েকটি হেলমেট।
এপিবিএন এর সহ-অধিনায়ক জানান, গ্রেফতাররা সকলে মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা’র সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
অভিযানের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য বিকেলে ১৪এপিবিএন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের কাছে অবহিত করা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.