প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৪:২৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৮, ২০২৪, ৬:০২ অপরাহ্ণ
চন্দনাইশ দোহাজারী পৌরসভার ইজারাকৃত বাজার বসছে পৌরসভার বাহিরে

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ দোহাজারী পৌরসভার ইজাকৃত বাজার পৌরসভার বাহিরে সরিয়ে নিয়েছে একটি মহল। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দোহাজারী পৌরসভাধীন দেওয়ান হাট মাছ বাজার পাইকারী ও খুচরা নামে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে অনুযায়ী সৈকত দাশ ইমন উক্ত বাজারটি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পায়। বৈশাখ থেকে বাজারে হাছিল তোলা শুরু করছেন সে। গত ১৭ তারিখ থেকে বাজারটি সরিয়ে হাশিমপুর ইউনিয়নের পাঠানি পুল, আলোকিত কনভেনশন সেন্টারের পাশে নিয়ে আসে সিদ্দিক আহমদ। ইজারাদার বিষয়টি মেয়রকে জানালেও এখনো কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
জানা যায়, সিদ্দিক আহমদ যে জায়াগার উপর স্থাপনা নির্মাণ করে মাছ বাজার বসিয়েছেন ঐ জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে। গত ৪ এপ্রিল আদালতে এক ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৪৫ ধারায় মো. হোসেন প্রার্থীক হয়ে সিদ্দিক আহমদকে প্রতিপক্ষ করে মামলা দায়ের করেন। যাহা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন চন্দনাইশ থানার ওসিকে। সিদ্দিক আদালতের সিদ্ধান্ত এবং ওসির নির্দেশনা অমান্য করে বিরোধীয় জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলমান রাখে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মো. হোসেন পূণরায় আদালত একটি স্টেটেস্কোর আবেদন করেন।
প্রতিপক্ষ কতৃক আদালত আদেশ অমান্য করায় চন্দনাইশ থানার ওসিকে আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত বিরোধীয় জমিতে স্টেটেস্কো বজায় রাখতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। সিদ্দিক স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি ও একজন কাউন্সিলরের সহযোগিতায় আদালতের স্টেটেস্কো'কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়ে কাজ চলমান রাখে। সেই সূত্রে মো. হোসেন গত ৩০ এপ্রিল স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ ভঙ্গ করায় দ:বি: ১৮৮ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত চন্দনাইশ থানার ওসিকি বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলে।
বাজারের ইজারাদার সৈকত দাশ ইমন জানান, বাজার সরিয়ে নেয়ার আবাস পেয়ে গত সপ্তাহে আমি মেয়র মহোদয়কে অবগত করি। তিনি কাউন্সির পহর উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করার কথা বলে। যোগাযোগ করার পরও এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি পৌরসভা কতৃপক্ষ।
মাছ বাজার সরিয়ে নেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দোহাজারী পৌরসভার মেয়র মো. লোকমান হাকিম এব্যাপারে অবগত নন বলে জানান। তবে বাজার সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাইদুল ইসলামকে আদালতের স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশর কথা বললে তিনি বলেন জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারি না। স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নোটিশ যিনি জারী করছে ওনার সাথে কথা বলেন। এ এস আই শেখ ফরিদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি নোটিশ জারী করছি। সে আদালতের আদেশ অমান্য করায় এখন তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারায় প্রতিবেদনের জন্য রয়েছে। প্রতিবেদন আদালতে পৌঁছালে আদেশ অমান্য করায় ওয়ারেন্ট হতে পারে ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম'কে এই বিষয়ে জানার জন্য বারবার ফোন করলেও কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.