
শাহজাহান সাজু, কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছেন। গত বুধবার (৮ মে) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন (আনারস) প্রতীকে মোহাম্মদ সোহেল।
তিনি ভোট পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯৬৬টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী (মোটরসাইকেল) প্রতীকের শাহ মাহবুবুল হক। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৮৬ ভোট। তৃতীয় হয়েছেন (হেলিকপ্টার) প্রতীকের এম এ হালিম। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ২০৪ ভোট। চেয়ারম্যান পদে অপর তিন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ১৫% এর কম পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তারা হলেন, (কাপ পিরিচ) প্রতীকের আশরাফ হোসেন কবির। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬২ ভোট। (টেলিফোন) প্রতীকের রৌশনারা। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬২ ভোট।
(দোয়াত কলম) প্রতীকের নাজমুল আলম। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৭৯ ভোট। চেয়ারম্যান পদে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭৫৯ অবৈধ ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৯৩৩ মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬৯২। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন (টিউবওয়েল) প্রতীকের আল আমিন অপু। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৪১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (চশমা) প্রতীকের শফিউদ্দিন সরকার বাচ্চু। তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৯১২ ভোট। অপর দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ১৫% এর কম পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তারা হলেন, (তালা) প্রতীকের নাঈম সুজন পেয়েছেন ৬ হাজার ১৭৮ ভোট, (টিয়া পাখি) প্রতীকের মোহাম্মদ আলমগীর কবির পেয়েছেন ২ হাজার ১১৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬৬ হাজার ৭৫০ মোট অবৈধ ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৯১১ মোট পদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬৬১।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন (কলস) প্রতীকের ছাবিয়া পারভীন জেনি। তিনি ভোট পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৫২৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (হাঁস) প্রতীকের সেলিনা আক্তার পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৪০ ভোট। অপর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী (ফুটবল) প্রতীকের খাইরুন নাহার হ্যাপি প্রদত্ত ভোটের ১৫% ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ০৭ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬৬ হাজার ৪৭২ মোট অবৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৯ মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৫৯১। জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, হোসেনপুর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬৭ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৬৯২টি। অর্থাৎ ভোট পড়েছে ৪২ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট যদি মোট প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম হয়, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। হিসাব করে দেখা গেছে, মোট প্রদত্ত ভোট ৬৯ হাজার ৬৯২-এর ১৫ শতাংশ ভোট হবে ১০ হাজার ৪৫৩.৮টি। চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ হোসেন কবির, রৌশনারা, নাজমুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাঈম সুজন, আলমগীর কবির , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খাইরুন নাহার হ্যাপি নির্ধারিত ভোটের চেয়ে কম পাওয়ায় তারা জামানত হারাচ্ছেন।

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল