
তাদের অভিযোগ, গত ১ মে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ হাফিজুর রহমান স্বপন জামালপুর শহরের মুসলিমাবাদ এলাকায় নির্বাচনী সমাবেশ করেন। ওই সমাবেশে প্রার্থীর উপস্থিতিতে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী বলেন, জামালপুরের মন্দিরে মন্দিরে গরুর মাংস খাওয়া হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী চরম সাম্প্রদায়িক বিভিন্ন উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেন। উগ্র হিন্দুবিদ্বেষী চরম সাম্প্রদায়িক বক্তব্যে জামালপুরে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টেরও আশংকাও দেখা দিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময় ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী হিন্দু বিদ্বেষী বিভিন্ন কথাবার্তা বলেছেন বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে সাক্ষর করেছেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম রানু, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর রায়, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি কৃষিবিদ লক্ষী কান্ত পন্ডিত ও সাধারণ সম্পাদক রমেন বণিক। ধর্মীয় মন্দির নিয়ে অসত্য, কুৎসিত ও চরম সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদানকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে জানতে ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।