প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৪:০৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
দাগনভূঞায় প্রবাসীর জায়গা দখলের অভিযোগ

দাগনভূঞা প্রতিনিধিঃ ফেনী দাগনভূঞা উপজেলার পৌরসভার ৩ নং ইয়ারপুর সুলতান মিয়ার বাড়ির আমেরিকা প্রবাসী মোঃ ফারুক আহমেদ সুমনের পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড উদরাজপুর সাবেক পেন্টাগন হাসপাতালের সামনের প্রায় ৫ শতাংশ ভিটে জমিএকটি প্রবাবশালী মহল জবর দখল করে ফারুক আহম্মেদ সুমনের একটি দোছালা টিনের ঘর দখল করার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর নিকট আত্মীয় উক্ত ভূমির পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি মূলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মোঃ আজিজুল হক রাসেল। গত ২৮ শে এপ্রিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ।
রাসেল বলেন আমেরিকা প্রবাসী ফারুক আহমেদ সুমন প্রবাসে থাকার সুযোগে ২৬ শে এপ্রিল বিকালে আব্দুল আউয়াল মাসুম দলবল সহ উক্ত ভূমিতে অন্যায় অধিকারে প্রবেশ করে প্রার্থীর নির্মিত ঘর বেদখল করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবাদির কাজে বাধা দিলে আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে মাসুম তার দলবল নিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং যাওয়ার সময় হুমকি দিয়া বলে যে কোন সময় সে উক্ত ভূমি বেদখল করিবে।
উল্লেখিত বিবাদি ইতিপূর্বেও কয়েকদপা উক্ত সম্পত্তি জোর পূর্বক বেদখল করার চেষ্টা করে। তখনও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং কয়কদপা শালিশ বৈঠকও হয়।
-দাগনভূঞা, উদরাজপুর মৌজার, জেলা জরিপী ৯২,১৮৪,১৯৬নং খতিয়ান, এস.এ জরিপী ৯৬,২১৩নং খতিয়ান, বি.এস ১১৫নং খতিয়ান, জমা খারিজ ৮৬৬নং খতিয়ানের সি.এস/এস.এ দাগ নং-৭১৮,৭২০,৭২১,৭৫০ দাগ, বি.এস ৬৯৬ দাগের আন্দরে ৫ ডিং ভূমি। যাহার উত্তরে-চলাচলের রাস্তা/গনি মিঞা সড়ক, দক্ষিনে-নিজগং, পূর্বে-রৌশন আরা বেগম, পশ্চিমে-পেয়ার আহাম্মদ। এই চৌহুদ্দির মধ্যে নালিশী ভূমি অবস্থিত।

ফারুক আহম্মেদ সুমনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে আমেরিকাতে আছি। মাছুম বিবাধি নালীশি সম্পত্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের অপপ্রচার করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আর আমি যখন বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় আসি তখনি মাসুম তার সঙ্গীয় দলবল নিয়া সম্পত্তি বেদখলের অপচেষ্টা করে।কারন উক্ত ভূমি সেখানে আমাদের ৬.২৫ । আমি যাদের কাছ থেকে নিয়েছি তাদের মূরুব্বিগন ও মাছুম যাদের কাছ থেকে নিয়েছেন তাদের মুরুব্বিগন সহ মোট ২ বোন ৩ ভাই বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করে নেন ।সেই সূথে মালিক হয়ে আমি ছেলের অংশ থেকে খরিদ করি , মাছুমের পিতা মিডিয়ার মাদ্যমে হকদার বোনের অংশ নেন। কিন্তু মাছুমেরা যার কাছ থেকে নিয়েছেন তিনারা মা থেকে মালিক হয়েছেন। মা দুই দলিলে তাদেরকে ৫.৭৫ শতাংশ ভূমি দান করেছে। দলিলে মালিক হয়ে জমখারীজ বাংলাদেশ জরীপ খতিয়ান ও পাঁচ শতাংশ পাঁচাওর পয়েন্ট করিয়েছেন। এরা ইউছুপ আলী নামে এক লোকের নিকট বিক্রি করে দেন ৬ শতাংশ । মালিক হলেন ৫.৭৫ বাড়তি বিক্রি করেন। ১ মাস পরে মাছুমের বাবার নামে পুকুর, পুকুরপাড়, কিনে আপোষ কাত্বা লিখে আমার মালিকের অংশে রাস্তার লাগ দখল নিতে চায়।
আমি এক বছর পরে জমি যার থে কিনি তিনি ১২.৫০ মালিক সেখান থেকে মালিক হই ৬.২৫ আমি জায়গা বুজে দখল নিতে গেলে যার মাধ্যমে মাছুমরা খরিদ করেছে সে বাধা দেন। পরবতী থানায় বৈঠক হয় প্রথম দুই পক্ষের উকিল থাকেন সিন্দান্ত হয় যেহেতু মাছুমের মালিক পক্ষের মা ও আমার মালিক পক্ষের বাবারা মিলে বন্টন খতিয়ান জমাখারীজে মালিক। ৫.৭৫ সেহেতু তিনারা ৬ শতাংশ বিক্রি করে দেন মাছুমরা খরিদ করার আগে ,, তারা বিক্রি করার মত মালিকানা এখানে নেই । সেখানে কিভাবে মাছুম মালিক হবে? তারপর আমি ঘর করেছি ২ বছর পর তার লোকজন ভেংঙ্গে দখল করতে গেছে শুনে আমাদের লোকজন এসে বাঁধা দেন ভেংঙ্গে দেন। তখন আমাদের চেয়ারম্যন মহোদয় সব জানেন তিনার অফিসে বৈঠক হয় তিনি দুইপক্ষের কাগজপএ নিয়ে ,, ইলিয়াছ মেম্বারের মাধ্যমে। সিনিয়র কাসেম উকিলের নিকট আইনি মতামত চাওয়ার জন্য পাঠান সেখানেও আমার পক্ষে আসে। কিন্তু তখনও মাছুমেরে দেখিনি।
পরে আমি আবার ঘর করি ।তখনও আমি দেশের বাহিরে এ সুযোগে আমার সে ঘরে প্রবেশ করে কিচু ভেংঙ্গে আকার পরিবত্যন করেন। আবার চেয়ারম্যন সাহেবের সরনাপন্য হই তিনি ডাকেন কে আসেনি কে আসছে তিনি বলবেন। পরে বৈঠকহয় থানায় সে করেছে অভিযোগ এ গটনা তিন বছর পূর্বে মাছুমের সাথে তার উকিল আমার উকিল ও অনেক গন্যমান্য ব্যাক্তিগন সহ সে দিন ও লিখিত হয় তার আমার স্বাক্ষর যুক্ত , তার মালিক একজন আমার মালিক আরেকজন তার মালিকের মালিকানা মোতাবেক মালিক হবেন। আমার মালিকের মালিকানা মোতাবেক পাবো।
তার মালিকের মালিকানা অংশ তো আছে যানা বেশি বিক্রি করলেও দখলে আছে মাছুমের আগে খরিদ্দার। মাছুমের মালিকের মালিকানার বাহিরে কিভাবে মালিক হবে? এ ভাবে মিথ্যা বিভ্রান্তি কথা বলে? তারপরেও মাছুমের সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে দেখা বৈঠক হয়েছে তাকে বলেছি তুমি যখন কিনেছো বাড়ী করবে আমি বিক্রি করে দিবো তাহলে অন্য জায়গাতে এওজবদল দলিল করে দাও আমি নিবো এবং সামনের ভূমি আমার মূল্য আর পিছনের ভূমির মূল্য হিসাব করে যা সিন্দান্ত দেন চেয়ারম্যন সাহেব মানবো । এর পর আর আর মাছুমের দেখা পাইনি। আমি আসার আগে রাসেলের নামে পাওয়ার দিয়ে এসেছি । যতটুকু শুনেছি মাছুম ২৬ শে এপ্রিল বিকালে কাজ করাচ্ছে তাই রাসেল শুনে উক্ত ভূমিতে গেলে মাসুম রাসেলকে হুমকি ধামকি প্রদান করে। তাই রাসেল আইনের আশ্রয় নিয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এর একটা সুষ্ঠ সমাদান চাই।
দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসিমের কাছে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.