হোম » প্রধান সংবাদ » কামারখন্দে ৪ বছরেও শেষ হয়নি ফোয়ারা নির্মাণ কাজ, বরাদ্দের ১০ লাখ টাকা শেষ

কামারখন্দে ৪ বছরেও শেষ হয়নি ফোয়ারা নির্মাণ কাজ, বরাদ্দের ১০ লাখ টাকা শেষ

হুমায়ুন কবির সুমন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রায় ৪ বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নির্মাণ শেষ হলোনা নকশায় থাকা দৃষ্টি নন্দন পানির ফোয়ারার কাজ। অথচ নির্মাণ কাজের জন্য এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের তহবিলের বরাদ্দ হওয়া ১০ লাখ টাকা শেষ হয়েছে অনেক আগেই। এমন ঘটনা ঘটেছে কামারখন্দ উপজেলায়। উপজেলার আলোকদিয়া তিন রাস্তার মোড় এলাকায় উপজেলার সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে সরকারি টাকা পকেট বর্ধনের মাধ্যমে ১০লাখ টাকার সিংহভাগ আতœসাত করা হয়েছে বলে ইতোমধ্যে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে জানাগেছে, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে কামারখন্দ উপজেলার প্রবেশ পথের আলোকদিয়া মোড় নামক স্থানে শোভা বর্ধনের নামে একটি দৃষ্টিনন্দন পানি ফোয়ারা নির্মানের জন্য তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ ১০ লাখ টাকার কাজ শুরু করেন। ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের বাজেটের কাজ হলেও ২০১৯ সালের শেষ সময়েও এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ত্বত্তাবধানে কাজটি শুরু হলেও তা সমাপ্ত না করেই বরাদ্দের সকল টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে উপজেলা পরিষদ সুত্রে জানাগেছে।

এদিকে কাজ শুরুর প্রায় ৪বছর অতিবাহিত হলেও দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারা থেকে কিভাবে পানি বের হয় তা আজো দেখতে পারেনি উপজেলাবাসি। নির্মানাধিন ওই পানির ফোয়ারার সামনে বর্তমানে কেউ মাছ আবার কেউ চা বিক্রি করছে। মাছ ব্যবসায়ি সালাম এবং স্থানীয়রা জানায় নিজ চোখেইতো দেখছেন পানির ফোয়ারার নামে একটি মুর্তি দাড়িয়ে আছে। আমরা পানি ঝরা আর দেখতে পারলাম না।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী এস.এম সানজিদ আহমেদ জানান, তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম ওই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। তবে নতুন করে বরাদ্দ আসলে কাজটি করা হবে। কাজ শেষ না করে প্রকল্পের টাকা শেষ হলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমি সে সময় ছিলাম না, তাই কিছুই বলতে পারবোনা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে ফোয়ারাটির ওই অবস্থায় দেখছি। কাজ শেষ না করেই বরাদ্দের টাকা শেষ হলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন মন্তব্য বরতে রাজি হননি। তবে তিনি আশা করেন, নতুন বরাদ্দ পেলে কাজটি সম্পন্ন হতে পারে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শহিদুল­াহ সবুজ বলেন, ফোয়ারার কাজ সম্পর্কে আমার নিকট কোন তথ্য নেই। কারণ ওই সময় কাজের সাথে যারা জড়িত ছিলেন তারাই বলতে পারবেন। তবে শুনেছি কাজে অনিয়ম হয়েছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!