
মেহেদী হাসান মামুন: ভোলার তজুমদ্দিনে খেতে খেতে শোভা পাচ্ছে সূর্যমুখির সমারোহ। দিনে দিনে মাঠ জুড়ে সূর্যমুখির হাসির আলোকছটা কৃষকদেরও নতুন সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে। এই উপজেলায় গতবছর প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী আবাদ হলেও এবছর ৩ গুন বেড়ে আবাদ হয়েছে ৮০ হেক্টর।
তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৫০ শতাংশ আয়তনের ৩৫ টি সূর্যমুখী প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে।এ বছর সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় প্রায় ৫৫০ জন কৃষককে বিঘা প্রতি ১ কেজি হাইব্রীড সূর্যমুখী বীজ ও ২০ কেজি রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ। উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে সূর্যমুখী আবাদ হলেও শবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে চাঁদপুর ইউনিয়নে।উৎপাদন খরচ কম এবং বেশি লাভ হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে ঝুকছেন কৃষকরা।
সূর্যমুখী ফুলের ভালো ফলন হওয়ায় মাঠগুলো দেখতে খুবই সুন্দর হওয়ায় মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন কেউ আবার ঘুরতে এসে নিজ এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ করার আগ্রহের কথা জানান দর্শনার্থীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা জানান, এবছর তজুমদ্দিন উপজেলায় সূর্যমুখী ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। আশা করি আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে বিঘাপ্রতি প্রায় ৭ মণ ফলন হবে এবং কৃষকরা খুব ভালো লাভবান হবে।
এবছর হাইসান ৩৩, চ্যাম্প ও রেডিয়াম জাতের হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী চাষ করার সাথে সাথে তারা ভোজ্যতেল হিসেবে সূর্যমুখী তেল নিজেরা রান্নায় ব্যবহার করছেন এমনকি কেউ কেউ ৩৫০ টাকা কেজি ধরে সূর্যমুখী তেল বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

আরও পড়ুন
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ