
আবদুল গফুর কৃষি কাজের পাশাপাশি তার স্ত্রী ও ৬ ছেলে মেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে গত ২ বছর আগে খামারটি গড়ে তোলেন। কিন্তু ১০ মিনিটের আগুনে তার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা। খামারের দরজা বন্ধ ও গরুগুলো বাঁধা অবস্থায় থাকায় খামারের ভিতরেই গরুগুলো ছটফট করতে করতে মারা যায়। এ খবর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে কৃষক আবদুল গফুর, তার স্ত্রী, ছেলে মেয়েদের কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। আগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে বৈলতলী ইউপি চেয়ারম্যান এসএস সায়েম, মহিলা মেম্বার নুরুন্নাহার বেগম ঘটনাস্থলে আসেন। এদিকে খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলে জানা গেছে।