
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া: দেশে অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের সংখ্যা ১,০২৭টি। আর লাইসেন্স আছে ১৫,২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের। হাইকোর্টে দাখিল করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (স্বাস্থ্যসেবা) পক্ষে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যদি জানে অবৈধ প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা, তাহলে সেগুলো বন্ধ করতে বাধা কোথায়? কেন এতদিনেও এগুলো বন্ধ করা হয়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশের পর এবার কি এগুলো বন্ধ করা সম্ভব হবে?
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানাযায়, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলাতে মোট হাসপাতাল সংখ্যা ১৫টি,যার মধ্যে বৈধ বা লাইসেন্স আছে মাত্র ৩-৪টি হাসপাতালের। শুধুমাত্র ল্যাব বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে ২০টি, আবার প্রতিটি হাসপাতালের সাথে ল্যাব আছে, সবমিলিয়ে ৩৫টির মত ল্যাব চকরিয়াতে বিদ্যমান । সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল ও ল্যাবে ডিপ্লোমাধারী টেকনিশিয়ান রাখার কথা থাকলেও অধিকাংশ ল্যাবে তা অনুপস্থিত। ফলে রোগীদের ভুল রিপোর্ট দেয়ার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
তাছাড়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ফায়ার অগ্নিনির্বাপক (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) ব্যবস্থা নেই,ফলে চকরিয়াতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে। এইব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শোভন দত্ত বলেন,লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতাল ও ল্যাবের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে, ইতিমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।
গত সপ্তাখানেক পূর্বে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে সরকারি কোনো অনুমোদন না থাকায় ,চকরিয়া পৌরশহরের সেভরণ হাসপাতাল,সিটি হাসপাতাল, ম্যাক্স হাসপাতাল, মা-শিশু হাসপাতালকে জরিমানা করেছে। তাছাড়া ডুলহাজারা আছিয়া মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও চৌয়ারপাড়ি ডায়াগনস্টিক সেন্টার,খুটাখালী ল্যাব ও খুটাখালী ডক্টরস ল্যাবগুলোকে সিলগালা করে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠান খুললে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে নির্দেশের পরেও হাসপাতাল ও ল্যাব গুলো গোপনে চিকিৎসা সেবা এখনো চালু রেখেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার