
রবিউল হাসান লায়ন : জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন আগামী ৯ মার্চ। নির্বাচনী হাওয়ায় বদলে গেছে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার দৃশ্যপট। পাড়া আর মহল্লার প্রতিটি অলি গলিতে ছেয়ে গেছে ব্যানার আর ফেস্টুনে। বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে চলছে প্রচার আর মাইকিং। প্রতীক পাবার পর হতেই ভোট প্রার্থনায় মাঠ চসে বেড়াচ্ছেন মেয়র প্রার্থীরা। থেমে নেই কাউন্সিলররাও। পাল্লা দিয়ে চলছে নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণা। রাত দিন ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে যে যার মত ভোট চাচ্ছেন। পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
নির্বাচনে এবার দলীয়কোন প্রতিক না থাকায় সকলেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন, কাউন্সিলর পদে ২৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন বর্তমান মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর জগ প্রতিক, ইসমাইল হোসেন তালুকদার বাবুল মোবাইল ফোন প্রতিক, ফকরুজ্জামান মতিন নারিকেল গাছ প্রতিক এবং আনোয়ার হোসেন তালুকদার বাহাদুর রেল ইঞ্জিন প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। দিনরাত বিভিন্ন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা।
তবে বকশীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার কথা জানান ভোটাররা। বিপদে সব সময় পাশে থাকবে এমন প্রার্থীকেই নির্বাচিত করতেচান তারা।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান তালুকদার জানান,ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহন করা হবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি নিয়ন্ত্রনে নির্বাচন কর্মকর্তাসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।
২০১৩ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভার ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫১৮ জন। নারী ভোটার ১৮ হাজার ৯ জন এবং পুরুষ ভোটার ১৭ হাজার ৫০৯ জন। আগামী ৯ মার্চ এই পৌরসভায় ১২টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একটি সুষ্ঠ, অবাধ ও শান্তিপুর্ণ নির্বাচন উপহার দেবে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই প্রত্যাশা বকশীগঞ্জ পৌরবাসীর।