
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নিয়ম না মেনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শালুয়া ভিটা সিনিয়ার দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার হিসেবে ১২ হাজার টাকা বেতন উত্তোলন করেন। একই সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রলাণয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে ৩ হাজার ৬শ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সন্মানি পান ৪ হাজার ৪শ টাকা। সর্ব মোট প্রত্যেক মাসে সরকারী দুই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০ হাজার টাকা বেতন ভাতা নেন।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এলিজা সুলতানা বলেন, এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) কোনো মাদ্রাসা বা স্কুল, কলেজের শিক্ষক যদি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন তাহলে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ইউনিয়ন পরিষদের এক জায়গা থেকে সরকারি বেতন-ভাতা নিতে পারবেন। সেরাজুল ইসলাম দুই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা নিয়ে থাকেন, তাহলে এ পর্যন্ত যা নিয়েছে তা যেকোনো এক প্রতিষ্ঠানের সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
ইউপি সদস্য সেরাজুল ইসলাম দুই জায়গা থেকে সরকারি বেতনভাতা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, দুই জায়গা থেকে বেতন-ভাতা নেওয়া যাবে না এটা আমার জানা নেই।
খোকশাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম রশিদ মোল্লা বলেন, ইউপি সদস্য সেরাজুল ইসলামের দুই প্রতিষ্ঠানের বেতনভাতার বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
সিরাজগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ আফছার আলী বলেন, দুই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন উত্তোলন করতে পারবে না। তবে সম্মানী ভাতা নিতে পারবে বলে তিনি জানান।
সিরাজগঞ্জ স্থানীয় ও সরকারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তিনি আরো বলেন, সরকারি দুই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন ভাতা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমি এখনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে খোজ-খবর নেওয়ার জন্য বলছি এবং স্থানীয় ও সরকার মন্ত্রণালয় থেকে যে ভাতা পান সেটা বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিচ্ছি।