হোম » সারাদেশ » চাঁদাবাজি করে তথ্য লুপাট  করতে  সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায়  ডিবি পুলিশ 

চাঁদাবাজি করে তথ্য লুপাট  করতে  সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায়  ডিবি পুলিশ 

ফুলবাড়ী  প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার    পৌর শহরে ঢাকা মোঁড়, বিরামপুর আঞ্চলিক   হাইওয়ের রোড়ে পূর্ব পার্শ্বে    মো. ফজল উদ্দিনের  কারখানা  মায়ের দোয়া পলি  প্রন্টিং এন্ড প্যাকেজিং ,  থেকে  ১ লক্ষ ৫০ হাজার  টাকা  চাঁদা ও   কারখাঁনা থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে  যাওয়া অভিযোগ উঠে এসেছে দিনাজপুর  জেলা গোয়েন্দা ডিবির পুলিশের  টিমের   এসআই মো. রওশন, কনস্টেবল  মো. সাদেক, কনস্টেবল  মো. উজ্জ্বলসহ আরো নাম না জানা কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
গত ১৯ ডিসেম্বর রাত  সাড়ে ৮ টার সময়   কারখানার   হঠাৎ করে  দুইজন লোক প্রবেশ করে   ভিডিও  ধারণ  করতে শুরু করে, আর বলে কারখানায় কে আছো, এদিকে আসো, তখন কারখানার ম্যানেজার লিমন এসে বলে আপনারা কোথা থেকে আসছেন, তখন তারা বলে আমরা দিনাজপুর  জেলা গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ  থেকে আসছি, ম্যানেজার বলেন কি জন্য,কি সমস্যা, ডিবি টিমের সদস্যরা  বলে তোমরা অবৈধ কাজ করতেছো, মালিক কে ফোন দাও, আর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, কর্মচারী  ২ জনকে মারধর করে, তখন ম্যানেজার বলে আপনারা কেনো খারাপ ব্যবহার করতেছেন।
আমরা তো পরিবেশ দপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়েছি,আরো কাগজপত্র আমাদের কাছে আছে, ম্যানেজার  তখন পরিবেশ দপ্তর এ ফোন দিয়ে বলে আপনারা কি কোন টিম পাঠাইছেন, বলে নাতো, কে আসছে, আমাদের  সাথে কথা বলাইয়া দেন। ডিবির পুলিশের  সদস্যরা  তখন বলে আমরা কারো সাথে কথা বলবো না, এগুলো কাগজপত্র তোদের ভূয়া, ১০ লহ্ম  টাকা লাগবে, না হলে ভ্রাম্যমান করবো, ম্যানেজার ১০,০০০/- দিতে চাইলে বলে, এগুলো হবে না, তোদের সব মেশিন বিক্রি করে নিবো,এবং তোদের সবাইকে আটক করে নিয়ে যাবো, এক পর্যায়ে দর কষাকষির পর দেড় লহ্ম টাকা ঠিক করে, টাকা নিয়ে বলে ঠিক আছে ৬ মাসের মধ্যে আর আসবো না।
 উল্লেখ্য  গত ১২/১২/ ২৩ তারিখে  রাতে ৮ টার সময়   মুক্তারপুর থেকে দক্ষিন দিকে  ইন্ড্রাট্রি মালিক আনিছুর রহমান, ম্যানেজার আসাদুজ্জামান রাজ, এর কারখানায় ঢুকে সেম একই ভাবে জিম্মি করে, টাকা দাবী করে ২০ লহ্ম টাকা একপর্যায়ে দর কষাকষির পর সাড়ে তিন লহ্ম টাকা ঠিক করে নিয়ে আসে, আর বলে আমরা এসব নিজে থেকে করি জেলা এসপি স্যার কে অবগত করেই করি।
সচেতন নাগরিক সমাজের  প্রশ্ন, এগুলো যুদি সমস্যা থাকে তাহলে তো ভ্রাম্যমান হওয়ার কথা, হোক সেটা উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, কিন্তুু  ডিবি পুলিশ তো এগুলো নিজে থেকে করার কথা না। সচেতন নাগরিক সমাজ বলছে এই ধরনের  অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য পুলিশ বাহিনীর গৌরব গাথা ঐতিহ্য যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!