
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া: গত ২০১৯সালে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন ফজলুল করিম সাঈদী । আগামী মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশন এখন স্থানীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে চকরিয়া উপজেলা গঠিত। এ উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের সাথে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তিনি চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, কক্সবাজার জেলা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ও বাফুফে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
তাছাড়া তিনি বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বরত আছেন,একাধারে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার আরকান সড়ক ট্রাক-মিনি ট্রাক পরিবহনের ৩ বারের নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে দীর্ঘদিন শ্রমিকদের সেবা করে আসছেন।
স্থানীয় ভোটারদের অভিমত,বর্তমানে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে আছে ফজলুল করিম সাঈদী। এবং তার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ছৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহীম।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী বলেন,আমি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম,কিন্তু দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ছৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহীমের পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করেছি । আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দল থেকে নৌকা প্রতীক দেয়ার সবুজ সংকেত পেয়েছি ।
চকরিয়া পৌর কাউন্সিলর থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ একাধারে পনের বছর জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন ফজলুল করিম সাঈদী

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি