প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৭:১৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৪, ২০২৪, ২:২০ অপরাহ্ণ
দাগনভূঞা উত্তর আলীপুর স্কুল এন্ড কলেজে বছরের শুরুতে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উপর পরীক্ষার চাপ : সাংবাদিক লাঞ্ছিত
![]()
মোঃ আবদুল মুনাফ পিন্টু : দাগনভূঞা উত্তর আলীপুর স্কুল এন্ড কলেজে বছরের শুরুতে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উপর পরীক্ষার চাপ শুরু হয়েছে। ১৪ ই জানুয়ারি রবিবার সকালে সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে যে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তিকৃত ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে একশত নাম্বারের মূল্যয়ণ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এতে ১২০ টাকা করে পরীক্ষার ফিস ও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্কুলে এমন ভাবে পরীক্ষা গুলো নেওয়া হচ্ছে বাইরের থেকে বুঝার কোন উপাই নেই। প্রতিটি কক্ষের দরজা বন্দ করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষার কক্ষে শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এটি ভর্তি পরীক্ষা আবার বলে ক্লাসের মূল্যয়ন পরীক্ষা। আবার বলে আমরা মেধা অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষে রোল নম্বর সিরিয়াল করার জন্য এই পরীক্ষা নিচ্ছি।
নাম না বলার শর্তে একজন অভিভাবক বলেন, আমরা বাচ্চাদেরকে মাত্র স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। এখনই যদি তাদের উপর পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তারা ভয়ে আর স্কুলে আসতে চাইবে না।
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা ছাত্র ছাত্রীদের মেধা যাচাইয়ের জন্য এই পরীক্ষা নিচ্ছি। এবং শ্রেণীতে রোল নম্বর নির্ধারনের জন্য এই পরীক্ষা নিচ্ছি। পরীক্ষার ফিস নেওয়ার কথা জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্কুলের বিদ্যুৎসায়ী সদস্য এবং ৭ নং মাতুভূঞা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লা আল মামুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য নেওয়ার সময় সাংবাদিকদেরকে লাঞ্ছিত করে তাদের মোবাইলগুলো নিয়ে নেয়।সাংবাদিক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দাগনভূঞা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুনাফ পিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন টিপু,
পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষা নেওয়া এটা আমাদের স্কুলের ব্যাপার। আপনাদের সমস্যা কোথায়। আপনারা ভিডিও করবেন কেন নিউজ করবেন কেন? আমাদেরকে কোন কিছু বললে শিক্ষা অফিসার অথবা টিএনও বলবে। আমরা বাচ্চাদের মেধা মূল্যয়নের জন্য দরকার হলে প্রত্যক সপ্তাহে পরীক্ষা নেব। পরীক্ষার ফিসের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার স্কুলে কোন দূর্ণিতি নেই।
দাগনভূঞা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা ছাড়া এই ভাবে পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই। আর ভর্তি নেওয়ারও কোন বিধান নেই। এখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি করাতে হয়।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.