প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১:২২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, ৫:০০ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাংগী উপজেলায় হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শিমুল গাছ ।

মোঃ হাসান আলী,বালিয়াডাংগী উপজেলা প্রতিনিধি: সময়ের পরিবর্তনের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলা বালিয়াডাংগী
উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, গ্রাম বাংলার শোভা বর্ধনকারী শিমুল গাছ। মনোমুগ্ধকর শিমুল ফুল নিয়ে রচিত
হয়েছে গান, কবিতা ও নানা রকম গল্প। বর্তমান সময়ের অনেক শিশুই চিনেনা শিমুল ফুল। নিকট অতীতে গ্রামের
মানুষ প্রাকৃতিকভাবে গজিয়ে উঠা শিমুলের তুলা দিয়ে লেপ, তোষক, বালিশ ইত্যাদি তৈরি করত। যা ছিল খুবই
আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যসম্মত। শিমুল গাছ কমে যাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যসম্মত তুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ।
অপরদিকে শিমুল তুলা বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে পারতো কৃষক। এ ছাড়াও শিমুল গাছ গ্রামাঞ্চলে
ঔষধি গাছ হিসাবে সুপরিচিত। শিমুলের মূল বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু উপকারী এই গাছটি
বিলুপ্তির পথে। শিমুল গাছের চারা রোপণে কৃষকের উদাসীনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি কোনো উদ্যোগ না
থাকাকে বিলুপ্তির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয়রা জানান , প্রায় ১০-১৫ বছর আগেও ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে বাড়ির আনাচে কানাচে
চোখে পড়ত অসংখ্য শিমুল গাছ। আর এসব গাছে ফুটন্ত শিমুল ফুলের সমারোহই জানান, দিত প্রাকৃতিতে বসন্ত
এসেছে। প্রস্ফুটিত ফুলে পুরো এলাকা এক অপরূপ রূপে সজ্জিত হয়ে উঠতো। কিন্তু, দিন দিন শিমুল গাছ কমে
যাওয়ায় দেশি তুলা খুজে পাওয়া যায় না। ১০ বছর পূর্বে প্রতি কেজি শিমুল তুলা বিক্রি হতো ৪০-৫০ টাকায়। এখন তা
বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বর্ধনশীল গাছের প্রতি মানুষ ঝুকে পড়ায় শিমুল গাছসহ বিভিন্ন
গাছ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.