
রংপুর ব্যুরো
রংপুর সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের ইলেকট্রিক ডিজিটাল বিলবোর্ডে শেখ মুজিব শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব সহ ১৫ আগস্টে নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য শোক বার্তা প্রচার করার অবিযোগ উঠেছে। গত শনিবার দিবাগত ভোড় রাত থেকে শুরু করে রবিরার সকাল পর্যন্ত এই শোক বার্তা প্রচার করা হয় বলে অভিযোগে জানাগেছে।
শোক বার্তায় লেখা ছিল “ ১৫ আগষ্ট শোক দিবস । জাতীর পিতার রক্তের ঝণ,শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার শপথ নিন।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা ও ১৫ আগষ্টের সকল শহিদ দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা -সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ রংপুর।
এই প্রচারের প্রতিবাদ করে বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহম্মেদ ইমতি ঘটনার ভিডিও ফেজ বুকে পোষ্ট করে লেখেন,রংপুরের সরকারী বেগম রোকেয়া কলেজ প্রশাসন এখনো আওয়ামীলীগের দাসত্ব ছাড়তে পারেনি।
এ বিষয়ে রংপুর সরকারী বেগম রোকয়ো কলেজের প্রিন্সিপ্যাল মোঃ ইসমাইল হোসেন সরকার জানান, তিনি জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি অবহিত হয়েছেন।
কেবা কারা এ কাজ করেছে তা তিনি জানেন না। সংযোগটি বিচ্ছিন্ন আছে বলে তিনি দাবী করেছেন। সিটিএসবি‘র সদস্য গন ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি আরো জানান,বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সরকারী বেগম রোকেয়া কলেজের ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মোঃ আরিফুর রহমান কে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন,রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মাহবুবার রহমান এবং আইসিটি প্রভাষক নাছিমা খাতুন।আগামী তিন দিনের মধ্যে কমিটিকে রির্পোটকে পেশ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে আঞ্চলিক পরিচালক (কলেজ) আমির আলীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
নামপ্রকাশে অনইচ্ছুক গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য জানান,তিনি ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখেন সেই ইলেকট্রিক ডিজিটাল বিলবোর্ডের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ।কলেজেরে প্রিন্সিপাল তাকে জানিয়েছেন,সংযোগ টি অনেক আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন ছিল।
রংপুর জেলা প্রশাসক মোঃরবিউল ফয়সাল জানান,কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল কে নির্দ্দেশ দিয়েছি।
এই ঘটনার তিব্র প্রতিবাদ করেছেন,রংপুরের রাজনৈতিক ও সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টন্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।