
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ডঃ মঈন খান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। তারা বারবার ইতিহাস জয়ের প্রমাণ রেখেছে।'৫২ এর ভাষা আন্দোলন, '৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান, '৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও যুদ্ধ, '৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ '২৪ এর জুলাই বিপ্লব এই জনপদের সাহসী ও সংগ্রামী মানুষের রচিত ইতিহাস। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন এবং জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারন করেই দেশ ও জাতি গঠনে কাজ শুরু করেছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের কোনো ইতিহাসই একক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দ্বারা রচিত হয়নি, বরং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বা অভ্যুত্থান ইহার ব্যতিক্রম নয়।
গতকাল ২০ জুন, শনিবার, সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পূণর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পূণর্মিলনীতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশিদ ফিরোজ, সাম্যবাদী দলের সভাপতি হারুন চৌধুরী, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এমপি, জাতীয় কবিতা পরিষদের আহ্বায়ক কবি মোহন রায়, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের সভাপতি আব্দুর নূর, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এডভোকেট পিয়ারুল ইসলাম, বিএনপি নেত্রী ও সাবেক সাংসদ সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক মোস্তফা কামাল, নারী নেত্রী কাজী জেসিন প্রমুখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরকত উল্লাহ বুলু এমপি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা নেতৃত্বের কৃতিত্ব দাবি করে তারা ডিবি হারুনের ভাতের হোটেলে মেহমান হয়েছিলো। তাদের সেই দিনের ভূমিকা জাতি মিডিয়ায় দেখেছে। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে আজ স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি প্রধান বিরোধী দল- এটা আমাদের জন্য জাতীয় লজ্জা। তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছে।খাল খনন কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হচ্ছে তার প্রমাণ।অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরেছে এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালে দেশ থেকে কারা ৪১ হাজার কোটি টাকা সুইচ ব্যাংকে নিয়ে গেছে তা খুঁজে বের করতে হবে বলে তিনি দাবি তুলে ধরেছেন।