মোঃ হাবিবুর রহমান: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রথম কর্মীসভা আগামী ৮ অক্টোবর। কর্মীসভাকে ঘিরে চলছে নানা আয়োজন। কর্মীরা পার করছে ব্যস্ত সময়। দফায় দফায় চলছে আলোচনা। ক্যাম্পাসবিহীন নবীন এ বিশ্ববিদ্যালয়টি কর্মীদের প্রচারণায় মুখরিত। কর্মীসভাকে সফল করতে আয়োজনের যেন কমতি রাখছেনা ছাত্রলীগ কর্মীরা। দিন-রাত চলছে নানা প্রস্তুতি।
কর্মীসভার সর্বশেষ প্রস্তুতির ব্যাপারে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ কর্মী সোহাগ হোসেন বলেন, শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আসন্ন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীসভার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। কর্মীসভাকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সকলে মিলেমিশে কর্মীসভা সফল এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।
আরেক ছাত্রলীগ কর্মী বিপ্লব বলেন, রাবীন্দ্রিক ভাবনা ও সাংস্কৃতিক বিকাশ এর যে স্বপ্ন দেখেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। নেত্রীর সেই স্বপ্নে গড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার হতে চলেছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগ এর কর্মীসভা। আমরা বিশ্বাস করি, নেত্রীর হাতে গড়া এই বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিটা শিক্ষার্থী গড়ে উঠবে মুজিব আদর্শে। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও রাবীন্দ্রিক ভাবনা কে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহিঃবিশ্বে তুলে ধরতে চাই। তারই লক্ষ্যে প্রস্তুত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কর্মীরা। এই কর্মীসভা আমাদের জন্য একটি বড় সফলতা বয়ে আনবে।
ছাত্রলীগ কর্মী আলমগীর খান আরাফাত বলেন, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠার পর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। আমরা সেই আদর্শকে লালন করে এগিয়ে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার মধ্যদিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে চাই।
ছাত্রলীগ কর্মী ওমর ফারুক ডলফিন বলেন, আমরা কয়েকবার আলোচনায় বসে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সমন্বয়ক কমিটির সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমাদের উপাচার্য স্যারও সবরকমের সহযোগিতা করছেন। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর কর্মীসভার অনুমতি পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিতবোধ করছি। কর্মীদের মধ্যে আনন্দঘন অবস্থা বিরাজ করছে। সকলেই উজ্জীবিত হচ্ছে। আমরা এই কর্মীসভার মধ্যদিয়ে সম্মিলিতভাবে আগামী নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চাই।
মোঃ আবু জাফর বলেন, কর্মীসভা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও উদ্দীপনা আমার কর্ম স্পৃহা ও প্রত্যাশা বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। এখান থেকে আমরা তরুণরা "স্মার্ট বাংলাদেশ" গড়ার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ফিরতে চাই, জাতির জনকের আদর্শ তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে ফিরতে চাই, ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা নিয়ে ফিরতে চাই। জানি আমরা পারব, কেননা বাংলাদেশের ইতিহাস বলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কখনো হারতে শেখেনি।
রুকাইয়া ইসলাম সুস্মিতা বলেন. আমার যৌবনের প্রথম প্রেম, প্রেরণার উচ্ছ্বাস, গৌরবের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মী সভার আয়োজনে আমি আনন্দিত এবং একই সাথে গর্বিত এই গৌরবময় সংগঠনের সাথে কাজ করতে পেরে। আশা করছি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতাদের অনেক বেশি অনুপ্রেরণার যোগান দিবে আসন্ন কর্মী সভা।
মোঃ ফারদিন আরেফিন বলেন, আমাদের সুসংগঠিত এবং কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে অনন্য অবদান রাখবে আসন্ন কর্মীসভাটি। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং সুযোগ কাজে লাগিয়ে দৃঢ় এবং শক্তিশালী হবে আদের সংগঠন। এছাড়াও জাতীয় নির্বাচনে অবদান রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণ করতে সম্মিলতভাবে কাজ করব।
মোঃ সুমন আহমেদ বলেন, আসন্ন কর্মীসভাকে সফল করতে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ পরিবার খুবই আনন্দিত। ছাত্রলীগ সবসময় ছাত্রদের জন্য কাজ করে, ছাত্রদের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা ভাবে। আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। আমরাও নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে নিয়োজিত রাখব। তাদের কল্যাণে কাজ করে যাব।