
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ আইন পাসের মাধ্যমে জাতির পিতার জন্মভূমি গোপালগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বশেমুরবিপ্রবি। একই বছরের ১৩ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম. খায়রুল আলমকে বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।
২০০১ সালে আইন পাশের পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ২০১০ সালের ২০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন বাস্তবায়নে সরকার এসআরও জারি করে এবং ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে অ্যাকাডেমি কার্যক্রম শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৭টি অনুষদের অধীনে ৩৩টি বিভাগে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
৫৫ একরের বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে একটি ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ৫ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৫টি আবাসিক হল। এদের মধ্যে ছাত্রদের জন্য বিজয় দিবস হল, স্বাধীনতা দিবস হল ও শেখ রাসেল হল এবং ছাত্রীদের জন্য বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও শেখ রেহানা হল।
এছাড়া রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরি ভবন, ক্যাফেটারিয়া, শহীদ মিনার, কেন্দ্রীয় মসজিদ, মন্দির, উপাচার্যের বাসভবন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য ২টি ডরমিটরি, ১টি পিএইচডি ডরমিটরি, কর্মচারীদের জন্য ৩টি স্টাফ কোয়ার্টার, পানি শোধনাগার। নির্মাণাধীন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- মেইন গেট, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১৭টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।