
মিজানুর রহমান: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসন থেকে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।
২০০১ সালে প্রথম বার জাতীয় পার্টির দুর্গ ভেঙ্গে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোতাহার হোসেন। ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই লালমনিরহাট জেলার উন্নয়নে কাজ করতে শুরু করেন তিনি।

২০০৮ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন মোতাহার হোসেন।
লালমনিরহাট জেলার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার জোরালো ভূমিকার কারণে ২য় তিস্তা সড়ক সেতু ও ধরলা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। উন্নত হয়েছে রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
জেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সব মিলে জেলায় উন্নয়নের ক্ষেত্রে আর মাত্র ২০-২৫ ভাগ কাজ বাকি রয়েছে। দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতায় একমাত্র মোতাহার হোসেনই জানেন জেলার আর কি কি উন্নয়ন করতে হবে, কি কি বাকি আছে।
তাই তাকে যদি মন্ত্রিত্ব দেয়া হয় তাহলে আগামী ৫ বছরে জেলার সকল উন্নয়ন কাজ শেষ করে লালমনিরহাট জেলাকে একটি মডেল জেলা হিসেবে তৈরি করা সম্ভব হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।
লালমনিরহাটের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ জেলায় আওয়ামী লীগ থেকে দুই জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অনেকের মতে, মোতাহার হোসেন রাজনীতিতে অনেক অভিজ্ঞ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
তিনি মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা লালমনিরহাট জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা মোতাহার হোসেনের মন্ত্রিত্ব দাবী করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২