
এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান মাজার রোডের পাশ দিয়ে নির্মিত বক্স দেন আবর্জনায় ভরে পানি নিষ্কাশন করতে প্রতিবন্ধকতা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে রাস্তায় সৃষ্টি হতো জলাবদ্ধতা। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরমে ওঠার আগেই বিষয়টি নজরে আসে রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি’র।
সোমবার সকাল ১০টায়, সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অসচেতনতা অযত্ন আর অবহেলায় ড্রেন গুলো আবর্জনায় ভরপুর। অনেক ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানের আবর্জনা ঝাড়ু দিয়ে ড্রেনের ২/১টি ভাঙা অংশে ফেলে দেয়। যেকারণে ড্রেনটি তড়িৎ ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশনে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি এসব ড্রেন উন্মুক্ত করতে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে রায়নগর ইউনিয়ন কর্তৃক পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই কার্যক্রম চলাকালে বক্স ড্রেনগুলো উন্মুক্ত করে পরিস্কার করা হবে এবং দ্রুততার সাথে আবর্জনা সরানো হবে। অভিযানের প্রথম দিনে মহাস্থান শাহ সুলতান আলিম মাদ্রাসা থেকে মহাস্থান হাইস্কুল মার্কেট পর্যন্ত একযোগে ড্রেন পরিস্কার কাজ চলছিল।
এবিষয়ে রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, ড্রেন থেকে ময়লা আবর্জনা তোলার পর তা দ্রুততার সাথে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সজাগ থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি।
আমরা একটু সচেতন হলেই শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করতে পারি। অনেকেই ড্রেনের মধ্যে এসব আবর্জনা ফেলার কারণে ড্রেন দিয়ে পানি প্রবাহে মারাত্বক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। যার জন্য আজকের এই ভোগান্তি।
ড্রেন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শক রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য শিউলী বেগমের স্বামী সমাজ সেবক ইন্না মিয়া বলেন, ড্রেন ও নালায় যেসব আবর্জনা পাওয়া যাচ্ছে তার বেশিরভাগই কোমলপানীয় দ্রব্যাদির বোতল উচ্ছিষ্ট আবর্জনা এবং পলিথিন। এসব ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অনেক বেগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি ময়লা আবর্জনা ড্রেনে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন
বগুড়ায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অস্ত্র হাতে মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি: প্রার্থী রনি গ্রেপ্তার
লালমোহনে বাস চাপায় প্রাণ গেল শিশুর
মির্জাপুরে মারধর ও ধর্ষণের ফলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্যু