
মিজানুর রহমানঃ বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিনের বয়স ৭০ বছর। স্ত্রী আলেয়া বেগম। তিন ছেলে আর তিন মেয়ে নিয়ে ছিল তাদের সংসার। আর এখন স্ত্রীকে নিয়ে একাই থাকেন বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিন। সময়ের ব্যবধান আজ যেন নিষ্ঠুর।তাহার বাড়ি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতার পূর্ব সারডুবী মোজা মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে।
শনিবার দুপুরে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা এলাকায় সড়কের পাশে বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিনকে ঢেঁকিশাক তুলতে দেখা যায় বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিনের সাথে। কথা হলে তিনি বলেন প্রায় ২০০ টাকার মতো ঢেঁকিশাক তুলেছি। এগুলো বিক্রি করে বাজার খরচ করবো। চাল,ডাল কিনবো।
বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিন জানান, তিন মেয়েকে অনেক কষ্টে বিয়ে দিয়েছি। তারা এখন স্বামীদের ঘর সংসারে ব্যস্ত। আমার তিন ছেলের ২ ছেলে ঢাকায় থাকেন।আরেকজন বউ নিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন।তাদেরও টানাটানির সংসার। করোনাকালে কোন রকম বেঁচে আছি। দিন যাচ্ছে টেনশনে আর রাত কাটছে কষ্টে। এইতো বেঁচে আছি আরকি।
বৃদ্ধ তছলিম উদ্দিন দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আরও বলেন, জীবনটা অনেক কঠিন বাহে। কে কার খোঁজ রাখে। সবাই সবার মতো করে চলছে। তাই আমিও দিসকুল না পেয়ে সপ্তাহে প্রায় ৩ দিন রাস্তার ঢেঁকিশাক তুলে বাজারে বিক্রি করে যা পাই তাই দিয়ে বাজার খরচ করে থাকি।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান