
বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীতে জাতীয় হেল্প সেন্টার ১০৯ নম্বরে কল করে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলো কিশোরী লিজা। জানা যায়, উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের কাশিয়ারা গ্রামের এনামুল হোসেন পান্না তার কন্যা বৈকুন্ঠপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিজা পারভীন (১৪) এর বিয়ে ঠিক করে ২১ জুন। লিজা বিয়েতে রাজি ছিলনা। তাই সে জাতীয় হেল্প সেন্টার ১০৯ নম্বরে কল করে সাহায্য চায়। বিষয়টি যথারীতি বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলপনা ইয়াসমিন কে এবং থানার
অফিসার ইনচার্জ আতিকুল ইসলাম কে জানিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলপনা ইয়াসমিন সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম কে বিষয়টি নজরদারি করতে বলেন। তিনি মেয়ের বাবার বাড়ি কাশিয়ারা গ্রামে গেলে মেয়ের বাবা বিয়ে দিবেনা বলে আশ্বস্ত করেন। থানা পুলিশও বিষয়টি নজরদারি করতে থাকে। কিন্তু মেয়ের খালা শাপলা বেগম বালুভরা
ইউনিয়নের দোনইল গ্রামে এক আত্মীয়েরবাড়ি থেকে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ২১ জুন দিবাগত-রাত ১ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আলপনা ইয়াসমিন বদলগাছী থানার এস আই আবু সামা ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তারা আতংকিত হয়ে পড়ে। এসময় বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ এর ৭ ধারা মোতাবেক বর বিলাশবাড়ী
ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের সিদ্দিক দেওয়ানের ছেলে মিজানুর রহমানকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন। অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন। উল্লেখ্য উক্ত মিজানুর ১ বছর আগে একটি বিবাহ করেছে। এই কাজে সহযোগিতা করার দায়ে তাজপুর গ্রামের খালা শাপলা বেগম, জুবায়ের ও বারেক এই ৩ জনকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান