
মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ- সৃষ্টির শুরু থেকে যুগে যুগে শ্রেষ্ঠ হিসাবে রয়েছেন মানুষ। আজ সেই রকমই একজন কে মানুষ হিসাবে দেখতে লাগলেও সমাজের নানা অবহেলার মাঝে নিজেকে অনাহারে অর্ধাহারে অন্ধকার কুড়েঘরে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জেউপজেলার ৮নং পাঙ্গাসী ইউনিয়নের গ্রাম পাঙ্গাসী গ্রামের বিষ্ণনাথ কর্মকার। বৃদ্ধ বিষ্ণনাথ কর্মকার শেষ বয়সে শীতে কুড়েঘরে
স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে বিছানো একটি পাটি এখন তার ভরসা। বিষ্ণনাথের দারিদ্রতার কারনে একমাত্র স্ত্রী ২ ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘ বিশ বছর যাবত বসবাস করছে অন্য কোন এক স্থানে। তাদের মাঝে নেই কোন যোগাযোগ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিষ্ণনাথ কর্মকার একটি কুড়েঘরে বসবাস করছে। ঘরে বৈদ্যুতিক কোন প্রকার সুবিধা নেই। নেই কোন আলোর ব্যবস্থা। ঘরের বিভিন্ন অংশ ভাঙ্গাচুড়া এবং সামনে জঙ্গলে ভড়পুর হওয়ার কারনে পোকামাকড়ের
সাথেই বসবাস করতে হয় হতদরিদ্র বিষ্ণনাথ কর্মকারের।ছোট একটি কুড়ে ঘরে আতঙ্ক আর ভয়ভীতির মধ্যে রাত্রি পার করতে হয় তার। কান্না ভেজা চোখে বিষ্ণনাথ বলেন, অভাব অনাটনে খুব কষ্টে আছি, এই ঝড় বৃষ্টির সময়ে যদি কোন স্ব-হৃদয়বান ব্যক্তি আমাকে একটি ঘরের ব্যবস্থা এবং মাসিক কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেন তাহলে বাকি জীবনটা একটু হলেও সুখে কাটিয়ে দিতে পারবো। তিনি আরো বলেন, কষ্টের কথা যতই বলা যাবে ততই আরো বাড়বে
তাই অনেক কথা বলার থাকলেও আজ না হয় নাই বলি। এ ব্যপারে পাঙ্গাসী ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, বিষ্ণনাথ কর্মকার যোগাযোগ করলে ব্যক্তিগত ভাবে তাকে কিছু সহযোগিতা করা হবে এবং আগামীতে সরকারি ভাবে ঘর বরাদ্ধ আসলে হতদরিদ্র বিষ্ণনাথ কর্মকারের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুন
বগুড়ায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অস্ত্র হাতে মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি: প্রার্থী রনি গ্রেপ্তার
লালমোহনে বাস চাপায় প্রাণ গেল শিশুর
মির্জাপুরে মারধর ও ধর্ষণের ফলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্যু