বগুড়ার শেরপুরে বন্ধুকে কর্মসংস্থানের প্রলোভনে পাঁচ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা

এম.এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়া শেরপুর উপজেলায় দরিদ্র বন্ধুকে প্রবাসে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়া জেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দন্ডবিধি ৪৬৮/৪২০/৪০৬/৪৭১/৩৪ ধারায় মামলা করেছে ভূক্তভোগী বন্ধুর বাবা আব্দুল কুদ্দুস শেখ।  যার মোকদ্দমা নং ৩৭০/১৭ (শেরপুর)। মামলা সূত্রে  জানা যায়, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সেনগাতী গ্রামের আলতাব শেখ(৬৫) এর ছেলে সালমান শেখ(২৬) এবং শেরপুর উপজেলার সিমাবাড়ি ইউনিয়নের সিমাবাড়ি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস শেখের ছেলে আতিকুল ইসলাম স্খুল জীবনের বন্ধু। এই
সুবাদে দুই পরিবারের মধ্যে গভীর শখ্যতা গড়ে উঠে। এরই এক পর্যায়ে বন্ধু সালমান শেখ কাঁতারে এক জুস কোম্পানিতে চাকুরী নিয়ে কাঁতার চলে যায়। কাঁতার প্রবাসী সালমান শেখ বন্ধু আতিকুলকে জানায়, কাঁতারে তার কোম্পানিতে আরও কিছু সংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগ দিবে এবং আর্থিক স্বচ্ছলতায় কাঁতারে যেতে আাতিকুলকে উদ্ভদ্ধ করে। রায়গঞ্জ উপজেলার সেনগাতী গ্রামের আলতাব শেখর ছেলে সালমান শেখ, স্ত্রী সাহেদা বেগম, অপর ছেলে সজল শেখের যোগসাযোশে কাঁতারে যাওয়ার জন্য যাবতীয় খরচ বাবদ পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে মাসিক ত্রিশ হাজার টাকা বেতনের প্রলোভনে পাঁচ বছর মেয়াদে (১৭ জুলাই ২০১৭) আতিকুলকে কাঁতারে নিয়ে
যায়। আতিকুল কাঁতারে পৌঁছনোর পর জানতে পারে ভিসাটির ওর্য়াক পারমিট ছিলোনা। ঐ ভিসাটি শুধুমাত্র সাতদিনের ট্রুরিস্ট ভিসা ছিল। কাঁতারে পৌঁছামাত্র সালমানের সাঙ্গপাঙ্গ মাইক্রেবাসযোগে আতিকুলকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে একমাস যাবত আটকে রেখে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায় এবং বলে তোর কাগজপত্র সব ভূয়া, এইসব ভূয়া কাগজপত্র নিয়ে তুই এদেশে থাকতে পারবিনা। এমতাবস্থায় আতিকুলকে দেশে পাঠানোর জন্য সালমানবাহিনী আরও সত্তর হাজার টাকা দাবী করে তার পরিবারের নিকট। বিভিন্নভাবে
তাদের দাবীকৃত সত্তার হাজার টাকা জোগাড় করে পাঠানোর পর খুবই অসুস্থ অবস্থায় আতিকুলকে দেশে ফেরত পাঠায়। টাকা আত্মসাত করাই ছিলো তাদের উদ্দেশ্য। ভূক্তভোগী আতিকুলের বাবা বলেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি এবং তা চলমান, আমার ছেলেকে ফেরত আনার সময় আমি পূণরায় তাদের সত্তর হাজার টাকা পাঠিয়েছিলাম, তারা আমার ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছে। আদালত ন‍্যায় প্রতিষ্ঠা করবে বলে আমি আশাবাদী। কাঁতার প্রবাসী সালমানের বাবা মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোন সাড়া মেলেনি।