সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশকে মারধর করার অপরাধে সয়দাবাদের ইউপি সদস্য রাজাসহ ৪জন কারাগারে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশ কে মারধর করার অপরাধে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মো: সাইদুল ইসলাম রাজাসহ ৪জন কারাগারে।
শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু জাফর জানান, বেআইনী অস্ত্র¿ নিয়ে সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশ কে মারধর করার অপরাধে ইউপি সদস্য মো: সাইদুল ইসলাম রাজাসহ ৪জন কে আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে
পাঠানো হয়েছে। এসময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সিরাজগঞ্জ সদর থানার এসআই রেজাউল করিম শাহ বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উলে­খ ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে মামলা দায়ের করেন।

 

আটক কৃতরা হলেন- মৃত মুনসুর খার ছেলে ইউপি সদস্য মো: সাইদুল ইসলাম রাজা, কামারখন্দ উপজেলার বারাঙ্গা গ্রামের মৃত ইব্রহীম মুন্সির ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মো: ইসমাইল হোসেন (৬০) মো: নুরুল ইসলমের ছেলে মো: শাহদত রেজা (১৯), মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ইয়াকুব আলী। ঘটনা সূত্রে জানাযায় কামারখন্দ উপজেলার বারাঙ্গা গ্রামের সাথে সয়দাবাদের ৩নং ওয়ার্ডের জারিলা গ্রামের দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।

 

এরি একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে দু গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে এসময় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকাবাসী জানায় ইউপি সদস্য মো: সাইদুল ইসলাম রাজার সাথে কামারখন্দ উপজেলার বারাঙ্গা গ্রামের মৃত ইব্রহীম মুন্সির ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মো: ইসমাইল হোসেন এর পূর্বে বিরোধ চলে আসছিল। এরি এক পর্যায়ে রাজা মেম্বারের নেতৃত্বে এলাকার লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হয়। এর আগে ঐ গ্রামের সাথে দুদফা সংর্ঘষের ঘটনাও ঘটেছে। পূর্বের জের ধরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘছেটছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

 

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার অফিসার-ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী বিপিএম, পিপিএম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা করেন এসময় পুলিশের উপরে হামলা, মারধর ও সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেন। এঘটনায় ৪পুলিশ আহত হয়। পুলিশ ৪জনকে আটক করে। পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ৪ জনকে আদালতের ম্যাধমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।