হোম » সারাদেশ » কাউখালীতে ১০ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ 

কাউখালীতে ১০ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ 

কাউখালী (পিরোজপুর)  প্রতিনিধি:
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে  পিরোজপুরের কাউখালীতে  সরকারের পক্ষ থেকে ১০ হাজার ২শত২০ পরিবারকে ১০ কেজি করে ১০২,২২০ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বিনামূল্যে বিতরণ। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মানবিক সাহায্য কর্মসূচির আওতায়
ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে  বরাদ্দ দেওয়া  চাল বিতরণ করা হয়েছে । উপজেলা প্রশাসনের ও  স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইউপি  চেয়ারম্যান ও মেম্বারা চাল বিতরণ করেন। বৃহস্পতিবার  (১২ মার্চ) সকালে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে এক যোগে নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে   অসহায় দুস্থ মানুষের হাতে  ভিজিএফের চাল তুলে দেওয়া হয়েছে।
সকাল নয় টায় কাউখালী সদর ইউনিয়নে  এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন  কাউখালী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা
মফিজুর রহমান,  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো:মোস্তাফিজুর রহমান সহ ইউপি সদস্যরা।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্ত জানান ,কাউখালীতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এবার উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে মোট  ১০২.২২০  মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে  কাউখালী সদর ইউনিয়নে ৩হাজার ৭শত৫৫ , সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নে ১৫৯৪, আমরাজুরি ইউনিয়নে ১২৪২,
চিরাপাড়া পারসাতুরিয়া  ইউনিয়নে ১৯৫৮
এবং শিয়ালকাঠি ইউনিয়নে ১৬৭১ টি সহ মোট ১০২২০টি পরিবারের মাঝে  একই সময় এই চাউল বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন  ইউনিয়ন পরিষদে গেলে জানা যায় যে বিতরণের একদিন আগে সুবিধাভূগী  পরিবারের হাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ১০ কেজি চালের কার্ড  ইউপি সদস্যরা পৌঁছে দিয়েছেন। শিয়ালকাঠি  ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গেলে দেখা যায়   সুবিধাভোগী মানুষ এই চাল গ্রহণ করতে সকাল থেকে  ইউনিয়ন পরিষদের সামনে উপস্থিত হয় এবং  সুশৃংখলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ঈদ উপলক্ষে সরকারের দেওয়া  উপহার চাউল গ্রহণ করে আনন্দে বাড়িতে ফিরে যান। সুবিধাভোগী দাসের কাঠি গ্রামের রাশিদা জানান তার স্বামী অসুস্থ কাজ করতে পারে না। এই ১০ কেজি চাউল পাওয়ার কারণে তার ঘরে ঈদের আনন্দ শুরু হয়েছে। চিড়াপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল হান্নান তালুকদার বলেন আমার মত অনেক গরিব মানুষ আছে যারা কারো কাছে হাত পাততে পারি না। যে চাউলের বরাদ্দ দিয়েছে সেই বরাদ্দ দিয়ে আমার হাত পর্যন্ত একটি কার্ড  পৌছায় নাই। আরো বেশি বরাদ্দ প্রয়োজন বলে তিনি সরকারের কাছে দাবি করেন।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!