
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী এ মেলায় উপজেলার দূর দূরত্ব থেকে আগত সনাতনী হিন্দু জনগণ পূজা ও গঁঙ্গাস্নান পর্বে অংশগ্রহণ করে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে গঁঙ্গাস্নান উৎসব। নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী স্নান উৎসবে অংশ নেন। তারা জমির আইল ধরে ও নদীপথে ডুবের মেলায় আসেন।
স্নান উৎসবে অংশ নেওয়া পূণ্যার্থীরা জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পাপ মোচন উপলক্ষে ভোরে মানত ও গঙ্গাস্নান পর্ব সমাপণ করেন। গঙ্গাস্নান করলে সাড়া বছরের পাপ মোচন হয়। মনের আশা ও বাসনা পূরণ হয়। এই স্নানে অংশ নিলে পূর্ণ মিলে। দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসে গঙ্গাস্নানে অংশ নিয়ে তাদের মনের বাসনা পূরণ করে।
জানা যায়, ব্রিটিশ শাসনামলে বক্ত সাধু নামে খ্যাত এই সন্যাসীর (মাদব ঠাকুর) মূর্তি প্রতিস্থাপন করে পূজা অর্চনা শুরু করেন। এই পূজা উপলক্ষে তখন থেকে গঙ্গাস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তখন থেকে এটা ডুবের মেলা নামে পরিচিত।
মেলায় স্নানে অংশ গ্রহণ করতে আসা রতন কুমার সূত্রধর জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করে যে, আজকে এই মাঘীপূর্ণিমার তিথিতে উত্তর বাহিত জলে স্নান করলে সাড়া বছরের পাপ মোচন হয়। একেক জনে একক রকমের বাসনা নিয়ে এসে স্নান করে।
উল্লেখ্য: মাঘী পূর্ণিমা বা মাঘ পূর্ণিমা হলো মঘানক্ষত্রাযুক্ত মাঘ মাসে পূর্ণিমা তিথি ও হিন্দু ও বৌদ্ধদের একটি ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে চন্দ্র, গুরু এবং শনি তিনটি গ্রহই অশ্লেষা নক্ষত্রে তাদের নিজস্ব রাশিতে উপস্থিত থাকে। এদিন গৌতম বুদ্ধ তাঁর পরিনির্বাণের কথা ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান