
এম.এ রাশেদ
গুড়ার শেরপুর উপজেলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে চলছে প্রতিমা তৈরির ধুম। এ বছর উপজেলায় মোট ৯১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কারিগর ও শিল্পীরা। প্রতিমার দাম আকার, নকশা ও সাজসজ্জা অনুযায়ী ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
পৌর শহরের সকাল বাজার ও দক্ষিণসাহপাড়া ঘুরে দেখা যায়, খড়, কাঠ ও সুতায় তৈরি হচ্ছে প্রতিমার কাঠামো। চলছে মাটি লাগানো ও রঙের প্রস্তুতি। পুরুষদের পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও কাজ করছেন এই শিল্পে।
শিল্পী শ্রীকান্ত সরকার জানান, “এবার ১৫টি প্রতিমার কাজ করছি, আটজন শ্রমিক নিয়ে। দাম পড়বে ২৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত। চাহিদা এবার অনেক বেশি।”
শিল্পী শ্রাবণ শীল বলেন, “৮টি প্রতিমা করছি, যার দাম ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। খরচ বাড়লেও কাজের চাপ কমেনি।”
অন্য শিল্পী প্রকাশ ঘোষ অবুঝ জানান, “দুটি কারখানায় ১০টি প্রতিমার কাজ চলছে, রঙের কাজ শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে।” আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মাধ্যমে দেবীর আগমন শুরু হবে, পূজা শুরু ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষষ্ঠী থেকে এবং শেষ হবে ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে।
শেরপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম কুন্ডু জানান, “গত বছরের চেয়ে এবার ৮টি বেশি পূজা হচ্ছে, যা আনন্দের বিষয়। প্রতিটি প্রতিমা তৈরির স্থান পরিদর্শন করা হচ্ছে।”
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশও প্রস্তুত। শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, “মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরির স্থানে টহল এবং ফুটপেট্রোল জোরদার করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে আমরা আশাবাদী।”

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান