
এইচ এম রুহুল কাদের , চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার কাকারায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে । ফলে ঘরটি বরাদ্দ পাওয়া নওমুসলিম ভূমিহীন ব্যক্তি পরিবারসহ ঘরে উঠতে পারছেন না । স্থানীয়সূত্রে জানাযায়, প্রায় চল্লিশ বছর পূর্বে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কাকারা ইউনিয়নের কুলাল পাড়ার হরিদাস মহাজনের পুত্র সন্তোষ কুমার রুদ্র(বর্তমান নাম রফিকুল ইসলাম) ইসলামের রীতিনীতি পালন করে আসছেন । পিতার জমিদারি, অঢেল অর্থের লোভ-লালসা ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ভূমিহীন হয়ে মসজিদে মসজিদে বসবাস করেছেন দীর্ঘদিন ।
তার আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২০২৩ সালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কর্তৃক কাকারা শাহ উমর মাজার সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পে একটি ঘর বরাদ্দ পায় । কিছুদিন বসবাস করার পরে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী অসুস্থতার কারণে বাড়িতে অনুপস্থিত ছিলেন । এরইমধ্যে ঘরটির মধ্যে কু-নজর পড়ে কাকারা ২নং ওয়ার্ডের নুরুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা বেগম(পাখি)র । মহিলাটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিনের বাড়িতে কাজ করার সুবাদে সুকৌশলে চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় নওমুসলিম রফিকুল ইসলামকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে জবরদখল করে ।
এতদিন চেয়ারম্যানের প্রভাব দেখালেও ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে এলাকায় চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে মহিলাটি স্থানীয় এক বিএনপি নেতাকে ম্যানেজ করে দখল অব্যাহত রাখে। ধর্মান্তরিত নওমুসলিম রফিকুল ইসলামকে উল্টো বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
সর্বশেষ আশ্রয়স্থল ঘরটি ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন বলেন, রফিকুল ইসলামের চরিত্র খারাপ,তিনি নিয়মিত আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে থাকেন না । আয়েশা বেগম পাখির স্বামী নাই, সেই কারণে তাকে ঘরটি দেয়া হয়েছে । চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে উচ্ছেদের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন
নাটোরে নলডাঙ্গায় আবারও দুর্বৃত্তদের আগুন সন্ত্রাস
শাজাহানপুরে সাজাপুর বেলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তঃহাউজ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার বিরুদ্ধে আক্কেলপুরে মানববন্ধন ও মাদ্রাসা ঘেরাও