
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চন্দনাইশ দোহাজারীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দু’পক্ষের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে তিন ঘণ্টা ব্যাপী। এসময় উভয় পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ফাঁকা গুলিবর্ষণে পুলিশসহ উভয় পক্ষের ১৩ জনের অধিক আহত হয়।
তিন ঘণ্টা ব্যাপী চলা সংঘর্ষে আতংকিত হয়ে পড়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ। মূহুর্তের মধ্যে দোহাজারী রনক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় পুলিশ ও উভয় পক্ষের লোকজন ১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।
এ সময় আহতরা হলেন, কনস্টেবল যথাক্রমে, বিমল জ্যোতি চাকমা(২৮), মো. আনোয়ার হোসেন (৫৫), মো. মাহফুজুল আলম (৩০), মো. সাইফুল ইসলাম (২৯), আরিফ হোসেন (৩১), দোহাজারী সদর এলাকার গিয়াস উদ্দিন জিকু (৩০), ইফতাব উদ্দিন তানিম (২৪), রফিকুল ইসলাম (২৪) মো. ইসমাইল (২৪) দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। এছাড়াও সাতকানিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয় আকবর খান (৫৫), ছাবিত খাঁন (১৬), আরিফ (২৬), রোহিত (১৪) সহ অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জন পথচারী আহত হয়।
পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত যুযুৎসু যশ চাকমা বলেছেন, চুল কাটার সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ বিষয়ে এক পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলমান।
দোহাজারী পৌর মেয়র মো. লোকমান হাকিম বলেছেন, আসকার খান ও তার ভাই শওকত খান প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর ও ব্যবসায়ীদেকে আতঙ্ক সৃষ্টি করে চাদা দাবী করতে গেলে ব্যবসায়ীদের সাথে সংঘর্ষ হয়। ব্যবসায়ীরা সবাই একত্রিত হয়ে তাদের প্রতিহত করতে গেলে প্রতিপক্ষ বার্মা কলোনীর লোকজন এনে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে পৌরসভার ময়লার গাড়ি ভাংচুর করে। এ সময় ৭/৮ জন ব্যবসায়ী আহত হয়। এই ঘটনায় শওকত খান নামে এক গ্যাং লিডারকে আটক করে পুলিশ।
আকবর খান বলেন, আমার ছেলে সাবিদ খানকে দোহাজারী হাজারী শপিং সেন্টারে চুল কাটার জন্য নিয়ে গেলে সেখানে জিকুরা ছিল। তারা সাবিদ খানকে ধাক্কা দেয় পরবর্তীতে নিচে এসে আমাদের ধাওয়া দেয়। এই বিষয়ে আমরাও মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল