
কক্সবাজার প্রতিনিধি : চোরাইপথে মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তেল, ওষুধ ও ময়দা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় দুইজন পাচারকারীকে আটক করা হয়। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সমুদ্রের চ্যানেল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মিয়ানমারে এসব পণ্য পাচার করছিল তারা৷
সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফের হাতিয়ারঘোনা থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করে র্যাব-১৫।
মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম ) মো. আবু সালাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান , টেকনাফে হাতিয়ারঘোনা এলাকায় জনৈক আবুল বাশার হাজির মুরগির খামার সংলগ্ন ভিটা এলাকায় একটি পাচারকারী চক্র অবস্থান করছে। এই খবর পেয়ে ওই স্থানে র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের চৌকস আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র্যাবের আভিযানিক দলের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পলায়নের চেষ্টাকালে দুইজন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় একটি জীপ গাড়িসহ সর্বমোট ৮৯৫টি বোতলে ৪ হাজার ৪৭০ লিটার ভোজ্য তেল সয়াবিন, বিভিন্ন প্রকারের ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৫০ পিস ঔষধ ও ১০টি বস্তায় মোট ৫০০ কেজি ময়দা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
আটক দুই পাচারকারী হলেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিরঘোনা এালাকর আবুল বশরের পুত্র আবদুল মান্নান (২৪) ও একই এলাকার মৃত আলী হাছনের পুত্র আলী হোসেন (৪৫)।

জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এই চোরাচালানের সাথে জড়িত। তারা পরস্পরের সহযোগীতায় দেশের বিভিন্ন কোম্পানী থেকে পাইকারি দামে ভোজ্য তৈল, ঔষধ, ময়দা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় করে নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতেন। পরবর্তীতে আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হওয়ার জন্য সমুদ্রের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে অবৈধভাবে চোরাইপথে বাংলাদেশ হতে মিয়ানমারে পাচার করতেন।
গ্রেফতারকৃত চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার