Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home » সংবাদ শিরোনাম » দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প
দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প

দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প

সাইদুর রহমান চৌধুরীঃ  দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম একটি  প্রকল্প । গত বছরের জুলাই মাস থেকে কাজ শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে দৃশ্যমান হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত এই রেললাইন।দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এদের মধ্যে তমা গ্রুপ প্রকল্পটির চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী থেকে চকরিয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েছে। ইতোমধ্যে দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

এরই মধ্যে দোহাজারী অংশে শঙ্খ নদীর উপর ২৪৭ মিটার দৈর্ঘ্যের স্টিল প্লেট গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দিনরাত চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। একের পর এক পিলার মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে শঙ্খ নদীর বুকে। এরই মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে দৃশ্যমান হচ্ছে দোহাজারী রেল সেতুটি।

সরেজমিনে শুক্রবার  (১০শে মে) দুপুরে দেখা গেছে শঙ্খ নদীর উত্তর পাড়ে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা অংশে ও দক্ষিণ পাড়ে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের পূর্ব কাটগড় অংশে এবং শঙ্খ নদীর মাঝখানে কর্মী, শ্রমিক ও প্রকৌশলীদের কাজের শব্দে মুখর এলাকা। যে যার দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত।

জানা যায়, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেললাইন শুরুতে মিটার গেজ করার পরিকল্পনা থাকলেও এখন নির্মাণ করা হচ্ছে ডুয়েল গেজ লাইন। ফলে এ রেল লাইনের নির্মাণ কাজ শেষ হলে দেশের জনগণ এবং বিদেশি পর্যটকরা যানজট মুক্ত পরিবেশে রেলে করে নিরাপদে পর্যটন নগরী কক্সবাজার যাওয়া আসা করতে পারবেন। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার শুটকি, লবণ, সবজিসহ বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে সহজ হবে।

এ প্রকল্পের ব্রিজ সেকশনে নিয়োজিত সিনিয়র ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ তোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ইতোমধ্যে এ ব্রিজের ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২৪৭ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটিতে মোট পিলার হবে আটটি। এক খুঁটি থেকে আরেক খুঁটির দূরত্ব হবে প্রায় ৩৯ মিটার। বর্তমানে আটটি খুঁটিই নির্মাণ শেষ হয়েছে। প্রতিটি খুঁটির নিচে সাড়ে ৪৪ মিটার গভীরতার ছয়টি করে পাইল বসান হয়েছে।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই ব্রিজের নিচের অংশের কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার পরিকল্পনা করছেন প্রকৌশলীরা। কারণ বর্ষার সময় শঙ্খ নদীতে পাহাড়ি ঢল নেমে আসলে ব্রিজ নির্মাণ বাঁধা গ্রস্ত হবে। ফলে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নিয়োজিত প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা দিনরাত কাজ করছেন।

এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রেল মন্ত্রী আ্যডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম সুজন দোহাজারীতে রেললাইন নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আগামী ২০২২ সালের মধ্যেই এ দেশের মানুষ রেলে করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার যাবে। ব্রিটিশরা দোহাজারী পর্যন্ত এসে থেমে গেছে, নদী পার হইতে পারে নাই। শেখ হাসিনা নদী পার করে রেলকে ওপারে নিয়ে যাচ্ছে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার কক্সবাজার এসেছি পরদিন বেলা ১১টা থেকে ৭ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে কক্সবাজার থেকে দোহাজারী পর্যন্ত প্রতিটি স্টেশনে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছি। কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। আমরা চাই দেশের সকল মানুষ রেল ব্যবহার করে কম খরচে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাক।’

লাইক ও শেয়ার করুন:
BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes
Scroll Up
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error: Content is protected !!