JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

 পরীক্ষার্থী রুবেলসহ মা ও চাচীর  বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। সংবাদ সম্মেলন 

১৩ ফেব্রুয়ারী,এম আর ওয়াসিম ভৈরব(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে টানা দুই দিন থানা হাজতে আটকে রাখার পরও বিয়েতে রাজী না হওয়ায় রুবেল বেলায়েত নামে অনার্স ৩য় বর্ষের এক পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলার আসামী হিসেবে জেল হাজতে পাঠায় থানা পুলিশ। ফলে কিশোরগঞ্জ দায়রা জজ আদালতের নির্দেশে  একজন জুডিশিয়াল ম্যজিস্টেটের উপস্থিতিতে গতকাল মঙ্গল বার নির্ধারিত সময়ে রুবেল দ্বিতীয় পরীক্ষায় অংশ নেয়।
আর অন্যদিকে তার স্বজনরা মঙ্গলবার বিকেলে প্রেসকাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে  অভিযোগ করে বলেন  সম্পত্তির লোভে প্রেমের ফাঁদে  ফেলে সফলের বিপরীতে ব্যর্থ হয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলা দিয়ে প্রেমিক হিসেবে রুবেলকে  জেলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রুবেলের স্বজনরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। এছাড়াও মামলার  তিন চার মাস আগে  বাবার সাথে মেয়ের বোরকা পড়া নিয়ে কথাকাটির এক পর্যায়ে অভিমান করে বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
কিন্তু পড়ে রুবেলের জন্য বিষপান করেছে বলে গোজব ছড়ালেও তা মিথ্যাচার বলে জানান এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্বজনদের দাবী, কোনো ধরণের আলামত ও মেডিকেল রিপোর্ট ছাড়া রুবেল, তার মা ও চাচাকে আসামী করে মিথ্যা ও বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া তাকে থানা হাজতে আটকে রেখে বিয়েতে রাজী হতে চাপ প্রয়োগ করে মানুষিক ও শারিরীক নির্যাতন করা হয়েছে বলেও দাবী করেন স্বজনরা।
এদিকে মামলা বাদী আব্দুল হক জানান, প্রায় সাত বছর ধরে তার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তারা বেশ কয়েক বার একই সাথে রাত্রিযাপন করেছে। এখন বলছে বিয়ে করবে না। তাই, রুবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়েছে।
জানাগেছে, শহরের জিল্লুর রহমান মহিলা কলেজ থেকে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা চানপুর গ্রামের অনার্স ৩য় বর্ষের পরীক্ষার্থী রুবেল প্রথম পরীক্ষা  শেষে কেন্দ্র থেকে  বের হতেই একই এলাকার শাহিদা বেগম পেছন থেকে ঝাপটে ধরে আটক করে।
পরে বিষয়টি একজন দু’জন করে পৌরসভার প্যানেল মেয়র আল আমিনের কাছে পৌছে। পরে তিনি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রেমিক-প্রেমিকাকে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ  করেন। প্রেমিকার অভিযোগে প্রেমিককে হাজতে আটকে রাখা হয়। আর বিয়ের দাবীতে টানা দুই দিন থানায় অবস্থান নেয় প্রেমিকা। খবর পেয়ে দুই পক্ষের  লোকজন থানায়  এসে সমাধানে পৌছতে পারেনি। অবশেষে প্রেমিকের বিরুদ্ধে প্রেমিকার বাবা হাজী আ: হক মিয়া ধর্ষণের মামলা করেন। ফলে গত শনিবার সকালে প্রেমিক রুবেলকে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।
 ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার জানান, শাহিদার বাবা হাজী আব্দুল হক বাদী হয়ে রুবেলকে প্রধান আসামী করে ৩জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে রুবেলকে কিশোরগঞ্জ জেল হাজতে পাঠানো হয়।
সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About আওয়াজ অনলাইন

x

Check Also

সিরাজগঞ্জে বিরল প্রজাতির মদন টাক পাখি উদ্ধার 

হুমায়ুন কবির সুমন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জে বিরল প্রজাতির একটি মদন টাক পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ...

error: Content is protected !!