JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

গ্রামীণ উন্নয়নে সরকারের সাফল্য অর্জন

এইচ এম কাওসার মাদবার বরগুনা : আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। শুধু শহরে নয়, এর প্রভাব এখন গ্রামেও দৃশ্যমান। বর্তমানে দেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮.২৫ শতাংশ। এই ক্ষেত্রে গ্রামীণ অর্থনীতির অবদান অনস্বীকার্য।

গ্রামাঞ্চলে কৃষি, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের ধারা এখন সহজেই লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের সুফলও জনগণ পেতে শুরু করছে। বিশেষত কৃষিক্ষেত্রে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে গ্রামীণ সড়ক-ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, হাট বাজার উন্নয়ন, সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ ও পুনর্বাসন, বৃক্ষ রোপণ, সুইস গেট, রাবার ড্যাম ইত্যাদি নির্মাণ, উপজেলা কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, খাল খনন ও সংস্কার প্রভৃতি কর্মসূচির কারণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হয়েছে। সুপেয় ও নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্ষেত্রেও হয়েছে প্রভূত উন্নয়ন। সরকারের নেওয়া ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পও গ্রামীণ দারিদ্র্য নিরসনে বিরাট ভূমিকা পালন করছে। ফলে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অনেক গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হয়েছে। এমনকি সার্বিকভাবে আমাদের দেশে শহরায়নের হারও দ্রুত বাড়ছে। রাস্তা-ঘাট ও টেলি যোগাযোগের উন্নয়ন গ্রামের চালচিত্র বহুলাংশে বদলিয়ে দিয়েছে। দ্রুত রেমিট্যান্স প্রেরণের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এবং ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যাংকিং সম্প্রসারিত হওয়ায় গ্রামীণ জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতিতে সেখানে ঋণ প্রবাহ বেড়েছে। যার ফলে সৃষ্টি হচ্ছে গ্রামীণ নারী-পুরুষ উদ্যোক্তা। তারা নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হচ্ছে, তেমনি অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে, যা খুবই আশাব্যঞ্জক।

২০০৯ সালে গ্রামীণ অঞ্চলে পাকা সড়ক ছিল ৬০,৫০০ কিঃ মিঃ ও গ্রামীণ রাস্তা ছিল ১,১৫০ কিঃ মিঃ যা বর্তমান বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৭৭,০০০ কিঃ মিঃ এবং ৩,৫০০ কিঃ মিঃ। তাছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে ২০০৯ সালে সাইক্লোন শেল্টার স্টেশন ছিল ৪২৫টি, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১৫ টিতে। এ পর্যন্ত সরকার ৩,১২০টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করেছে।

কোনো দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে অর্থনীতিবিদগণ দুইটি বিষয়ের উপর অধিক গুরুত্বারোপ করেন। তা হলো: পরিবেশ ও গ্রামীণ উন্নয়ন। বর্তমান সরকার বিষয়টির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ণ অন্য যে কোনো দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের থেকে এগিয়ে

Comments

comments

About গণমানুষের আওয়াজ.কম

x

Check Also

শ্রীপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক

শ্রীপুর,গাজীপুর প্রতিনিধি আব্দুর রউফ রুবেল: গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নারীসহ ৫ মাদক ...

error: Content is protected !!