JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.

দেশীয় গরুর কদর বেশি শাহজাদপুরে জমে উঠেছে কোরবানী পশুরহাট

আব্দুল কুদ্দুস শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ   ঈদুল আযহা উপলক্ষে শাহজাদপুরের হাটগুলোতে প্রচুর গরু-ছাগল আমদানী হয়েছে। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতাদের ভিড় দিন দিন বাড়ছে গতবারের চেয়ে দাম ভাল পাওয়ায় কৃষক ও খামারীরাও খুশি। তবে ক্রেতারা বলছে, দাম বেশী হওয়ায় তাদের বাজেটে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। খামারীরা বলছে, খৈল-ভুষিসহ খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গরু-লালন পালনে ব্যয় বেশি হওয়ায় দাম একটু বেশী। তবে খামারীদের আশঙ্কা যদি ভারতীয় গরু অবৈধপথে দেশে প্রবেশ করে তবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর এ জন্য সরকারকে কঠোর হওয়ার দাবী জানিয়েছেন কৃষক-খামারীরা।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, ঈদে লাভের আশায় কৃষকরা কঠোর পরিশ্রম করে গবাদিপশু পুষেছে। এবার উপজেলায় সাড়ে আটত্রিশ হাজার গবাদিপশু কোরবানীর উপযোগী করা হয়েছে। কৃষক ও খামারীরা ন্যায্য মুল্যে পেলে আগামীতে আরো বেশী গরু লালন-পালনে আগ্রহী হয়ে উঠবে তারা। আর ভারতীয় গরু যাতে অবৈধপথে দেশে না আসতে পারে সে জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গতকাল রবিবার তালগাছি হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটে ছোট-বড় প্রচুর পরিমাণ কোরবানীর গরু উঠেছে। ঐতিহ্যবাহী তালগাছি হাটটি ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু হয়। তালগাছি হাটটিতে প্রতি রবিবার গরু-ছাগল-মহিষও ভেরা বিক্রি হয়। জেলার সুনামধন্য হাট হওয়ায় হাটে ক্রেতার সংখ্যা বরাবরই বেশী থাকে। তালগাছিতে প্রতি হাটে প্রায় ৮-১০ হাজার গরু ওঠে। হাটে সর্বনি¤œ ৩৫ হাজার থেকে টাকার গরু বিক্রি হচ্ছে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার প্রর্যন্ত গরু ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের চাহিদা সবচেয়ে ৩৫-৯০ হাজার দামের গরুর প্রতি। ছাগলের চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।

হাটে পোশাক পরিহিত পুলিশসহ সাদা পোশাকে ও গোয়েন্দা পুলিশের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জালনোট শনাক্তের জন্য মেশিন বসানো হয়েছে। হাটটিতে ক্রেতারা কোন দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি কৃষক ও খামারীদের কাছ থেকে তাদের চাহিদা মোতাবেক কোরবানীর পশু কিনছেন। তবে এখনো হাটে ভারতীয় গরু না ওঠায় বিক্রেতারা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছেন।

বেড়া উপজেলার সেলন্দা গ্রামের আনছার আলী নামের গরু ক্রেতা জানান, হাটে প্রচুর পরিমানের দেশীয় গরু উঠেছে তবে গতবারের চেয়ে গরু প্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি লাগছে। তিনি আরো বলেন ভারতীয় গরু হাটে না থানায় গরুর দাম এবছর একটু বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে।

উপজেলার নলুয়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম নামে এক গরু ক্রেতা বলেন, ভারতীয় গরু হাটে না থাকায় এবছ আমাদেও গরু প্রতি ৮-১০ হাজার টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। তবে হাটে দালালদের দৌরত্ব না থাকায় প্রতি বছর আমার এই হাট থেকেই গরু ক্রয় করে থাকি।

তাড়াশ উপজেলার মাধবপুর গ্রামের ফজলার রহমান , সলঙ্গা থানার সাতকুর্শী গ্রামের জিল্লুর রহমানসহ কয়েক জন গরু বিক্রেতা জানান, দেশীয় গরুর চাহিদা বেশি গত ৩ মাস আগে যে কোন গরুর দাম থেকে ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে । এবার আমাদের একটু লাভ বেশি হচ্ছে।

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About গণমানুষের আওয়াজ.কম

x

Check Also

স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি আবার মাঠে নেমেছে: সালমা ওসমান

মোঃ জাকির হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: ২০২১ সালে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করতে এবং নারায়ণগঞ্জকে মাদকাসক্ত মুক্ত করতে একাদশ ...

error: Content is protected !!