Home » আন্তর্জাতিক » ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধনের সাংস্কৃতিক উত্সব
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধনের সাংস্কৃতিক উত্সব

ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধনের সাংস্কৃতিক উত্সব

ত্রিপুরা সংবাদদাতা : ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবীদের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সামাজিক সংস্থা ‘ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধন’র উদ্যোগে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক মিলন উত্সব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার মুক্তধারা অডিটরিয়ামে ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধনের প্রথম সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক মানিক দে, লেখিকা ও অভিনেত্রী অজন্তা দেববর্মন, বাংলাদেশ থেকে সাংবাদিক আবু আলী, ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন, সাধারন সম্পাদক আইনুল হক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম হিরণ প্রধান এ্যাড. সফিকুল ইসলাম বাবুল, সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন, ইন্দো-বাংলার কলকাতা শাখার সাধারন সম্পাদক লেখিকা বেবি কারফর্মা প্রমুখ।

ত্রিপুরা রাজ্য হজ কমিটির চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, আজ আমরা বিভাজিত হলেও এক সময় আমরা সবাই এক ছিলাম। ভারত ও বাংলাদেশের সরকার উভয় দেশের মধ্যকার মৈত্রীর সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার জন্য কাজ করছেন। মৈত্রীর সম্পর্ক যত মজবুত হবে, উভয়দেশের উন্নতি তত দ্রুত হবে। ত্রিপুরার মানুষ বাংলাদেশেকে বিদেশ বলে মনে করে না। নিজ ঘর বলেই মনে করে। এই মৈত্রীর সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সমাজের সব স্তরের মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিক আবু আলী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে ত্রিপুরার সঙ্গে। কারণ ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের খাদ্য, ভাষা ও সংস্কৃতির মিল রয়েছে। রাজনৈতিক কারণে আলাদা হয়েছে ঠিক। তবে দুই দেশ আলাদা আলাদা ব্যবস্থা বজায় রেখেই উভয়দেশের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে।

সাধারন সম্পাদক আইনুল হক বলেন, ভারতের এই শহরকে জড়িয়ে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকেরা ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে, যা ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে অভিহিত হয়। আজ আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র তাই উভয়দেশের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে।

ইন্দো-বাংলা সেতুবন্ধন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহে আগরতলা হয়ে ওঠে ১৯৭১ এর অবিভাজ্য অংশ, পালন করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম কেন্দ্রস্থলের ভূমিকা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বাংলা ভাষার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষাকেও এগিয়ে নিতে সবাইকে আহ্বান জানান। শেষে পরিবেশিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে গান ও নৃত্যসহ কবিতা পাঠ করেন শিল্পীরা।
/এইচ.

লাইক ও শেয়ার করুন:
BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes
Scroll Up
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error: Content is protected !!