Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home » আইন-আদালত » ভৈরবে ভিক্ষার টাকায় নাতিকে ছাড়িয়ে নেয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্য ক্লোজড
ভৈরবে ভিক্ষার টাকায় নাতিকে ছাড়িয়ে নেয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্য ক্লোজড

ভৈরবে ভিক্ষার টাকায় নাতিকে ছাড়িয়ে নেয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্য ক্লোজড

এম আর ওয়াসিম,ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: ভৈরবে আটকের পর এক যুবককে ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে ভিক্ষুকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার কারণে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই মাজহারুল হক। গতকাল  শনিবার বিকেলে থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

তিনি আরও জানান, মাদকের অজুহাতে শহরের পঞ্চবটি এলাকা থেকে জুয়েল নামে এক রিক্সা চালককে আটকের পর থানা হাজতে না রেখে অন্যত্র রাখা এবং ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে এক ভিক্ষুকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এএসআই মাজহারুল হককে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানাগেছে, পুলিশের এএসআই মাজহারুল হক গত মঙ্গলবার মাদক বিক্রির অযুহাতে জুয়েল নামে এক রিকসা চালককে আটক করে। পরে তাকে থানা হাজতে না রেখে গোপনে রান্না ঘরের একটি কক্ষে আটককে রাখা হয়। পরে তার স্বজনদের খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা থানায় এলে তাদের কাছে জুয়েলকে ছাড়িয়ে নিতে গেলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে দাবি করেন এএসআই মাজহারুল হক। তার কথা মতো টাকা না দিলে ৫২ পিচ ইয়াবা দিয়ে চালান দিবে বলে স্বজনদের জানান তিনি।
জুয়েলের মা জরিনা বেগম জানান, পরে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি এবং তার মা অন্ধ ভিক্ষুক (জুয়েলের নানী) জোসনা বেগম থানার পেছনে এএসআই মাজহারুল হকের সাথে দেখা করেন। তারা পুলিশ সদস্যের হাতে পায়ে ধরে জুয়েলকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু, এতে তার মন গলেনি। অবশেষে জুয়েলকে ছাড়িয়ে নিতে রাত ৯টার দিকে অন্ধ ভিক্ষুক নানী জোসনা বেগম তার ভিক্ষা বৃত্তির জমানো ৫ হাজার টাকা ও ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করে মোট ১১ হাজার টাকা হাতে তুলে দিলে এবং দুই হাজার টাকা পরের দিন দেয়ার কথা বলে জুয়েলকে ছাড়িয়ে নেয়। পরদিন জুয়েলের মা জরিনা বেগম তাদের কথা মতো আরও ২ হাজার টাকা দিয়ে আসে।

খোজঁ নিয়ে জানাযায়, এএসআই মাজহারুল হকের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক আটক বানিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। শহরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং ছিনতাইকারীসহ নানা অপরাধীদের আটকের পর টাকার বিনিময়ে পুলিশ আইনের ৩৪ (থার্টিফোর) ধারায় চালান দিয়ে আসছেন। ফলে অপরাধীরা সহজে বের হয়ে ফের বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়াও মাজহারুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজি গাড়ী আটকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

লাইক ও শেয়ার করুন:
BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes
Scroll Up
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
FACEBOOK
FACEBOOK
TWITTER
error: Content is protected !!