নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত, ইউপি সদস্য সহ গ্রেফতার ১২

নবীনগর প্রতিনিধি : ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় মঙ্গলবার স্থানীয় বাজারে সাহেবনগর গ্রামের খান সাহেব ও মাসুম মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে ঘটনার সুত্রপাত ঘটে।
এতে করে তাদের দুজনের অনুসারীদের মধ্যে গতকাল থেকেই ক্ষোভ দেখা যায়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন বাবুল সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক ভাবে বিচার শালিশ করে ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার চেষ্টা চলে দিন শেষে রাতভর পর্যন্ত।

কিন্তু উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার আলোচনা চলমান অবস্থায় বুধবার সকালে গ্রামের অটোরিকশা স্টেশনের সামনে দুইগ্রপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এতে ছোট বড় সব মিলিয়ে পুলিশসহ উভয়পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়।

গুরুতর আহতদের নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করলে তাদের মধ্যে টেটাবিদ্ধ একজন সহ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করে বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করা হয়।
বেশ কিছু আহতরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

এরই মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইউপি সদস্য আতিকুল ইসলাম সহ ১২ জনকে আটক করেছে।

ইতোমধ্যেই ইউপির চেয়ারম্যান আমির হোসেন বাবুল বলেন,তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো বড় ধরনের পরিস্থিতি যেন না হয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহায়তা কামনা করলে তারা উদ্বুত পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত শালিশে বসতে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেন।
আমি এলাকাবাসী নিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছি,আশাকরি দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

নবীনগর থানার দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান,আমরা গতকাল থেকে সংঘাত পরিহার করতে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার পরও এমন ঘটনা ঘটেছে।
তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষের ১২ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে । এ ঘটনায় কোনো মামলা না হলেও এলাকায় শান্তি ফিরে আনতে তাদেরকে নিয়ে আসা হয়েছে,এখনো সেখানে আমরা পুলিশ মোতায়েন রেখেছি।