Home » সংবাদ শিরোনাম » করোনা ভাইরাসের প্রভাব কর্মহীন ত্রিশ হাজার শ্রমজীবি মানুষ।
করোনা ভাইরাসের প্রভাব কর্মহীন ত্রিশ হাজার শ্রমজীবি মানুষ।

করোনা ভাইরাসের প্রভাব কর্মহীন ত্রিশ হাজার শ্রমজীবি মানুষ।

এইচ এম কাওসার মাদবরঃ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আমতলী উপজেলায় অন্তত ত্রিশ হাজার শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পরেছে। এতে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। দ্রুত সরকারীভাবে সাহায্যের দাবী জানিয়েছেন তারা।
জানাগেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে ছড়িয়ে পরায় সরকার ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষনা করে মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এতে উপজেলার প্রায় ত্রিশ হাজার শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পরেছে। কর্মহীন হয়ে পরায় পরিবার পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১১ ঘটিকা আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট চৌরাস্তায় শ্রমজীবি মানুষগুলো কাজের অপেক্ষায় বসে থাকে কিন্তু তারা কোন কাজ খুজে পাচ্ছে না। গত পঁাচ দিনে কাজ না পেয়ে শ্রমজীবি মানুষগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। দ্রুত এ সকল শ্রমজীবি মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়ার দাবী জানিয়েছেন তারা। এদিকে করোনা ভাইরাসের আপাদকালীন সময় সরকার হতদরিদ্র মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে তা অপ্রতুল। সকল শ্রমজীবি মানুষকে খাদ্য সহায়তার আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন আমতলী নাগরিক কমিটির সভাপতি এ্যাড এমএ কাদের মিয়া।
সোমবার সকালে আমতলী পৌর শহরের চৌরাস্তা ঘুরে দেখা গেছে, অর্ধ শতাধিক শ্রমজীবি মানুষ কাজের সরঞ্জামাধি নিয়ে বসে আছেন। কিন্তু কোন লোক তাদের কাজে নিচ্ছেন না। সকাল ৭ টা থেকে  বেলা ১১ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কোন কাজ পায়নি। নিরুপায় হয়ে তারা বাড়ী চলে গেছেন।
শ্রমজীবি বেল্লাল হোসেন বলেন, গত পাঁচ  দিন ধইয়্যা কোন কাম পাই নাই। পোলাপান লইয়্যা খুব কষ্টে হরি। ঘরে য্যা ছিল হ্যা খাওয়া শ্যাষ।এ্যাহন গুড়াগাড়া লইয়্যা কি খামু হেইয়্যা কইতে পারি না। চাওড়া কাউনিয়া গ্রামের শ্রমজীবি আল-আমিন ও আলমগীর বলেন, কোন কাজ নেই। তিন ধন্টা অপেক্ষা করে কোন কাজ পাইনি। পরে বাড়ী ফিরে এসেছি।  আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মনিরা পারভীন বলেন, সকল মানুষের খাদ্য সহায়তার আওতায় আনা হবে। কোন মানুষ খাদ্যহীন থাকবে না।
BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes
Scroll Up
error: Content is protected !!